০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ মানিক চেয়ারম্যানের

অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ফেইসবুকে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করে সাতকানিয়া উপজেলার আওতাধীন ৬নং এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক বলেন গত ১৪ই এপ্রিল এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অপু চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর যে অভিযোগ দায়ের করেন বলে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

গতকাল শুক্রবার রাতে এই প্রতিবেদককের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে মুঠোফোনে বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে যেতে চান  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অপু চৌধুরী। পরে তিনি  আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন এটা আমাদের অফিসিয়াল ভাবে একটা আপোষ করার চিন্তা করতেছি এটা সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।

কাজেই এই ইউনিয়ন পরিষদের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানের সাথে আমার এই বিষয়ে কথা হয়েছে। তার কাছ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার বিষয়টা নিশ্চিত করতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে বলেন কে বা কাহারা এই সব অপপ্রচার করতেছে তিনি এই বিষয়ে জ্ঞাত নয় বলে জানেন।

এই বিষয়ে ৬নং এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন আমার ইউনিয়নের সচিব অপু চৌধুরী সম্প্রতি মহামারী করোনা ভাইরাসে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দায়িত্বের প্রতি অকৃতজ্ঞ থাকায় আমি তাকে কারণ দর্শানোর নোর্টিশ প্রদান করি এবং ডিসি মহোদয়কে এই বিষয়ে জ্ঞাত করি।

তিনি এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গত ১৪ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন যাহার উক্তি সম্পূর্ণ ভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। উক্ত ইউনিয়নের সচিব পরিবর্তন ও বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এর আগে যিনি সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি তিন মাসের ছুুটি নিয়ে আর ইউনিয়নে আসেন নাই তৎক্ষনিক ডিসি মহোদয়কে অবহিত করলে তিনি আমার ইউনিয়ন পরিষদে নতুুন সচিব নিয়োগ প্রদান করেন এবং বর্তমান সচিবকে আমি বদলি করে দিচ্ছি বলে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে এর কোন ভিত্তি আছে বলে আমার মনে হয় না।

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি প্রদত্ত ত্রাণসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও ডিলার শ্যালক মিজবাহ উদ্দীন আবিদের বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাৎ অভিযোগ আনা হলে এই বিষয়ে তিনি বলেন সরকারি প্রদত্ত ত্রাণ সমূহ আমি কেন, কোন চেয়ারম্যান এইগুলা বন্টন করে না কাজেই উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাগণেই প্রধানত এইগুলা বন্টন করে থাকেন, তিনি আরো বলেন এই মহামারী পরিস্থিতিতে আমার নিজ অর্থায়নে আমার ইউনিয়নের ২৫০ অসহায়,কর্মহীন ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে আমি ত্রাণ বিতরণ করেছি সেই জায়গায় আমি কিভাবে সরকারি ত্রাণ আত্মসাৎ করব সেটা আমার মাথায় আসে না এবং আমার শ্যালক একজন চাউলের ডিলার হিসেবে কাজ করতেন সেই যার কাছ থেকে চাউল এনে বিক্রয় করত সেই নিজেই এখন চাউল বিক্রয় করবে বলে তিনি ইচ্ছে পোষণ করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে তিনি ডিলারশীপ বাতিল করেন।

কাজেই এখানে আমার শ্যালক মিজবাহ উদ্দীন আবিদের বিরুদ্ধে আনা চাউল আত্মসাতের বিষয়টা ভিত্তিহীন বলে আমি মনে করি। চেয়ারম্যান মানিক বলেন এওচিয়ার একটি কুচক্রীমহল যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং  মাদক পাচারের সাথে  জড়িত, তারা  আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর হইতে আমার উন্নয়নম্লূক কর্মকাণ্ড ও এলাকার বিরাজমান শান্তি শৃঙ্খলার অবস্থা দেখে  তাদের অন্যায় কাজ সমূহ সম্পাদন করতে না পারায়, হীনস্বার্থ, চরিতার্থ, করার কূমতলবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন নামে বেনামে ফেইক আইডির ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীন, কল্পকাহিনী অপপ্রচার করার চেষ্টা করতেছে। ইতিমধ্যে আমি অনতিবিলম্বে উক্ত ফেইক আইডি ও মিথ্যা তথ্য প্রচারকারীদের স্বরূপ উন্মোচিত করার লক্ষ্যে গত ২৪ এপ্রিল সাতকানিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে এই বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে। তিনি এই ভিত্তিহীন ঘটনার জন্য ০৬ নং এওচিয়া ইউনিয়নের কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করেছেন এবং বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা প্রতিরোধ করার জন্য সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ মানিক চেয়ারম্যানের

প্রকাশিত : ১০:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ফেইসবুকে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করে সাতকানিয়া উপজেলার আওতাধীন ৬নং এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক বলেন গত ১৪ই এপ্রিল এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অপু চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর যে অভিযোগ দায়ের করেন বলে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

গতকাল শুক্রবার রাতে এই প্রতিবেদককের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে মুঠোফোনে বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে যেতে চান  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব অপু চৌধুরী। পরে তিনি  আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন এটা আমাদের অফিসিয়াল ভাবে একটা আপোষ করার চিন্তা করতেছি এটা সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।

কাজেই এই ইউনিয়ন পরিষদের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানের সাথে আমার এই বিষয়ে কথা হয়েছে। তার কাছ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার বিষয়টা নিশ্চিত করতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে বলেন কে বা কাহারা এই সব অপপ্রচার করতেছে তিনি এই বিষয়ে জ্ঞাত নয় বলে জানেন।

এই বিষয়ে ৬নং এওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন আমার ইউনিয়নের সচিব অপু চৌধুরী সম্প্রতি মহামারী করোনা ভাইরাসে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দায়িত্বের প্রতি অকৃতজ্ঞ থাকায় আমি তাকে কারণ দর্শানোর নোর্টিশ প্রদান করি এবং ডিসি মহোদয়কে এই বিষয়ে জ্ঞাত করি।

তিনি এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গত ১৪ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন যাহার উক্তি সম্পূর্ণ ভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। উক্ত ইউনিয়নের সচিব পরিবর্তন ও বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এর আগে যিনি সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি তিন মাসের ছুুটি নিয়ে আর ইউনিয়নে আসেন নাই তৎক্ষনিক ডিসি মহোদয়কে অবহিত করলে তিনি আমার ইউনিয়ন পরিষদে নতুুন সচিব নিয়োগ প্রদান করেন এবং বর্তমান সচিবকে আমি বদলি করে দিচ্ছি বলে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে এর কোন ভিত্তি আছে বলে আমার মনে হয় না।

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি প্রদত্ত ত্রাণসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও ডিলার শ্যালক মিজবাহ উদ্দীন আবিদের বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাৎ অভিযোগ আনা হলে এই বিষয়ে তিনি বলেন সরকারি প্রদত্ত ত্রাণ সমূহ আমি কেন, কোন চেয়ারম্যান এইগুলা বন্টন করে না কাজেই উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাগণেই প্রধানত এইগুলা বন্টন করে থাকেন, তিনি আরো বলেন এই মহামারী পরিস্থিতিতে আমার নিজ অর্থায়নে আমার ইউনিয়নের ২৫০ অসহায়,কর্মহীন ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে আমি ত্রাণ বিতরণ করেছি সেই জায়গায় আমি কিভাবে সরকারি ত্রাণ আত্মসাৎ করব সেটা আমার মাথায় আসে না এবং আমার শ্যালক একজন চাউলের ডিলার হিসেবে কাজ করতেন সেই যার কাছ থেকে চাউল এনে বিক্রয় করত সেই নিজেই এখন চাউল বিক্রয় করবে বলে তিনি ইচ্ছে পোষণ করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে তিনি ডিলারশীপ বাতিল করেন।

কাজেই এখানে আমার শ্যালক মিজবাহ উদ্দীন আবিদের বিরুদ্ধে আনা চাউল আত্মসাতের বিষয়টা ভিত্তিহীন বলে আমি মনে করি। চেয়ারম্যান মানিক বলেন এওচিয়ার একটি কুচক্রীমহল যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং  মাদক পাচারের সাথে  জড়িত, তারা  আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর হইতে আমার উন্নয়নম্লূক কর্মকাণ্ড ও এলাকার বিরাজমান শান্তি শৃঙ্খলার অবস্থা দেখে  তাদের অন্যায় কাজ সমূহ সম্পাদন করতে না পারায়, হীনস্বার্থ, চরিতার্থ, করার কূমতলবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন নামে বেনামে ফেইক আইডির ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীন, কল্পকাহিনী অপপ্রচার করার চেষ্টা করতেছে। ইতিমধ্যে আমি অনতিবিলম্বে উক্ত ফেইক আইডি ও মিথ্যা তথ্য প্রচারকারীদের স্বরূপ উন্মোচিত করার লক্ষ্যে গত ২৪ এপ্রিল সাতকানিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে এই বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে। তিনি এই ভিত্তিহীন ঘটনার জন্য ০৬ নং এওচিয়া ইউনিয়নের কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করেছেন এবং বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা প্রতিরোধ করার জন্য সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক