গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার পারিজাত এলাকায় অপহরণের পাঁচদিন পর এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে র্যাব ও পুলিশ ওই শিশুদের বাড়ির তিন তলায় একটি ঝুট গুদাম থেকে প্লাস্টিকের বস্থায় ভিতর থেকে অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মো. আলিফ(৫) কোনাবাড়ীর পারিজাত এলাকার ফরহাদ হোসেনের ছেলে।
গাজীপুর র্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে আলিফকে অপহরণ করে জুয়েল আহমেদ সবুজ (২২) ও সাগর (২০)। অপহরণের পর ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছিল তারা।
পরে নিহতের বাবা ফরহাদ হোসেন মুক্তিপণের ২০ লাখ টাকা দিতে রাজি হয়। পরে ওই টাকা দিতে মোবাইলে বিভিন্ন জায়গায় ফরহাদকে যেতে বলে অপহরণকারীরা। এক পর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় মুক্তিপণের ২০ লাখ টাকা নিয়ে পূবাইল রেল লাইন এলাকায় যায় ফরহাদ।
সেখান থেকে সাগরকে আটক করে র্যাব সদস্যরা। পরে সাগরের দেয়া তথ্য মতে, ফরহাদের নিজ বাড়ির তৃতীয় তলায় ঝুট গুদাম থেকে প্লাস্টিকের বস্থায় ভিতর থেকে আলিফের মরদেহ উদ্ধার করে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সাগর জানায়, সে পেশায় একজন গার্মেন্টস কর্মী। তারা ০৩ বন্ধু জুয়েল সবুজ মিলে একই রুমে গত ৬ মাস ধরে ফরহাদের বাড়ির ৩য় তলার বাসা ভাড়া থেকে গার্মেন্টসে চাকুরী করে।
গত কয়েকদিন আগে ফরহাদ তার ভাড়াটিয়া জুয়েলকে কারণবশত থাপ্পড় মারে। এর প্রতিশোধ নিতে জুয়েল আলিফকে অপহরণ করে তাদের বাড়ির তৃতীয় তলায় ঝুট গুদামে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
র্যাব আরও জানায়, মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মূল আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক













