বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সীতাকুণ্ড থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল্লাহিল মামুনের আজ সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী।
মুক্তবুদ্ধি ও চেতনা সমৃদ্ব প্রগতিশীল ও অতিশয় ধর্মপরায়ণ জনাব মামুন তারঁ রাজনৈতিক পরিচয় কে পেছনে ফেলে নিজেকে সমাজের কাছে একজন আদর্শ শিক্ষক ও শিক্ষা সংগঠক হিসাবে মেলে ধরেছিলেন।
প্রচন্ড মেধাবী ও জ্ঞানতাপস এই মানুষটি চট্টগ্রামের বেশক’টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করা ছাড়াও ছোটকুমিরায় একটি ভংগুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন যেটি মছজিদ্দা উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে সারাদেশব্যপী অনন্য অসাধারণ স্কুল হিসাবে পরিচিতি পেয়েছিল।
এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মছজিদ্দা এলাকায় তিনি গড়ে তোলেন মছজিদ্দা গার্লস প্রাইমারী,লতিফা সিদ্দিকি গার্লস স্কুল এবং কলেজ। এ কাজে তিনি আর্থিক এবং মানষিক সহায়তা নিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্যমন্ত্রী এম আর সিদ্দিকী’র।
শিক্ষক কূলের শিরোমনি ও মুক্তিযোদ্ধা এম এ মামুন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি টি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেনীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি হরিনা ক্যাম্পে চীফ পলিটিকাল মোটিভেটর হিসাবে কাজ করেন এবং স্বাধীনতার পর তাকেঁ সরকারের পক্ষ থেকে সীতাকুন্ড থানার রাজনৈতিক প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১৩ সালের ৩রা মে তিনি ইন্তেকাল করেন।
এ উপলক্ষে তারঁ গ্রাম ঘোড়ামরা মুন্সী সাদেকআলী চৌধুরী জামে মসজিদে আজ বাদ আসর সীমিত আকারে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানান উনার ভাতিসপুএ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আ ম ম দিলশাদ।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক













