০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

তিন ‘নব্য জেএমবি’ গ্রেফতার

চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেইটের ট্রাফিক পুলিশ বক্সে দুই মাস আগে বোমা হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিন ‘নব্য জেএমবি’ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
গত রোববার বিকেলে বাকলিয়া ডিসি রোডের গণি কলোনীর মুখের লতিফের চারতলা ভবনের তিনতলার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে গতকাল সোমবার জানান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ।
গ্রেফতাররা হলেন- সাতকানিয়ার দক্ষিণ ঢেমশা হাদুর পাড়ার ইছহাক মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল্লাহ (২৪), সাতকানিয়ার দক্ষিণ মরফলা আদম উল্লাহর বাড়ি মহির আহমদের ছেলে মো. এমরান (২৫) ও সাতকানিয়ার উত্তর ঢেমশা মাইজপাড়া আলী বকসুর বাড়ির মহরম আলীর ছেলে আবু ছালেহ (২৫)। তাদের মধ্যে এমরান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম সেমিস্টার এবং আবু ছালেহ একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেক্সটাইল অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।
মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, সেলিম নামের এক জেএমবি নেতার নির্দেশে পলাতক আবু সাদেক আইইডিটি সবার অগোচরে ট্্রাফিক পুলিশ বক্সের ভেতর টেবিলের নিচে রেখে এমরানকে ফোনে জানায়। এমরান আইইডিটি বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে রিমোট কন্ট্রোলারটি খুলশীর নিজের বাসার সামনে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। পরে এমরানের সহায়তায় সাইফুল রিমোট কন্ট্রোলারটি ডাস্টবিন থেকে সংগ্রহ করে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের দক্ষিণের যাত্রীর ছাউনির পাশে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বালুয়াকান্দিতে উদ্বোধন হল ন্যাচার লাউঞ্জ

তিন ‘নব্য জেএমবি’ গ্রেফতার

প্রকাশিত : ১২:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেইটের ট্রাফিক পুলিশ বক্সে দুই মাস আগে বোমা হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিন ‘নব্য জেএমবি’ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
গত রোববার বিকেলে বাকলিয়া ডিসি রোডের গণি কলোনীর মুখের লতিফের চারতলা ভবনের তিনতলার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে গতকাল সোমবার জানান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ।
গ্রেফতাররা হলেন- সাতকানিয়ার দক্ষিণ ঢেমশা হাদুর পাড়ার ইছহাক মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল্লাহ (২৪), সাতকানিয়ার দক্ষিণ মরফলা আদম উল্লাহর বাড়ি মহির আহমদের ছেলে মো. এমরান (২৫) ও সাতকানিয়ার উত্তর ঢেমশা মাইজপাড়া আলী বকসুর বাড়ির মহরম আলীর ছেলে আবু ছালেহ (২৫)। তাদের মধ্যে এমরান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম সেমিস্টার এবং আবু ছালেহ একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেক্সটাইল অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।
মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, সেলিম নামের এক জেএমবি নেতার নির্দেশে পলাতক আবু সাদেক আইইডিটি সবার অগোচরে ট্্রাফিক পুলিশ বক্সের ভেতর টেবিলের নিচে রেখে এমরানকে ফোনে জানায়। এমরান আইইডিটি বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে রিমোট কন্ট্রোলারটি খুলশীর নিজের বাসার সামনে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। পরে এমরানের সহায়তায় সাইফুল রিমোট কন্ট্রোলারটি ডাস্টবিন থেকে সংগ্রহ করে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের দক্ষিণের যাত্রীর ছাউনির পাশে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।