চুয়াডাঙ্গা শহররে শহীদ হাসান চত্বর এলাকা। একঝাঁক অভুক্ত পাখদিরে কচিরিমচিরি। অনকে পথচারীকে ঘরিে রখেছেে খাবাররে প্রত্যাশায়। কউে পাখরি খাদ্য সঙ্কটরে বষিয়টি অনুভব না করলওে চুয়াডাঙ্গা জলো ট্রাফকি বভিাগরে র্সাজন্টে মৃত্যুঞ্জয় বশ্বিাস ঠকিই অনুধাবন করছেনে।
পাখদিরে খাদ্য সঙ্কট মটোতে এগয়িে এসছেনে মৃত্যুঞ্জয় বশ্বিাস। খাবার নয়িে পুলশিরে ওই র্কমর্কতা দাঁড়ানোর পরই এক ঝাঁক পাখরি দল বভিন্নি গাছ থকেে নমেে আসে রাস্তায়। খাবার ছটিানে শুরু হলে পাখরিা খাবার খয়েে পুনরায় আপন নবিাসে ফরিে যায়। এভাবে প্রতদিনি পাখদিরে মুখে দুবলো খাবার তুলে দচ্ছিনে পুলশিরে র্সাজন্টে মৃত্যুঞ্জয়।
এরপর থকেে মৃত্যুঞ্জয় বশ্বিাস যখনই শহীদ হাসান চত্বর এলাকায় যান তখনই পাখরি ঝাঁক তাকে ঘরোও করে রাখে খাবাররে প্রত্যাশায়।
এ ব্যাপারে র্সাজন্টে মৃত্যুঞ্জয় বশ্বিাস বলনে, করোনার সংক্রমণ রোধে চুয়াডাঙ্গায় চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়ছেে সকল ধরনরে রস্তেোরাঁ ও খাবাররে দোকান। শহররে পাখগিুলো হোটলে-রস্তেোরাঁর ফলেে দয়ো খাবার খয়েে বঁেচে থাকতো। কন্তিু হোটলেগুলো বন্ধ থাকায় খাবার সঙ্কটে রয়ছেে পাখরি ঝাঁক। সখোন থকেইে চন্তিা করে অভুক্ত পাখদিরে জন্য শুকনা খাবাররে ব্যবস্থা করছে।ি পাখরিা সাধারণত চানাচুর, চাল ও ভাত খতেে পছন্দ কর।ে যতদনি দশেে করোনার প্রভাব থাকবে ততদনি আমি পাখদিরে খাবার দবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ













