দিনাজপুর সদরের ধামাহার ও বড়ইল মৌজার বালু মহলের গত বছর ইজারা গ্রহীতা জিয়াউর রহমান ভ্যাট ও আয়কর সহ ৬২লক্ষ ৪০হাজার টাকায় ইজারা গ্রহণের পর উত্তোলনকৃত বালুর ট্রলির রাস্তার প্রতিবন্ধকতার কারণে বালু মহাল থেকে বালু উত্তোলন করতে না পেরে বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দিনাজপুরকে অবগত করার পরও সুফল পায়নি।ইতিমধ্যে পুনরায় উক্ত বালু মহালের দরপত্র আহবান করায় ক্ষতিগ্রস্থ বালু মহালের ইজারা গ্রহীতা মোঃ জিয়াউর রহমান উচ্চ আদালতে ৩৭২১/২০২০ নং রিট পিটিশন দায়ের করেন।যার আইটেম নং-৬৬ বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।ক্ষতিগ্রস্থ ইজারা গ্রহীতা উত্তোলনকৃত বালু রাস্তার প্রতিবন্ধকতার সমস্যার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে বার বার আবেদনে সুফল না পেয়ে আর্থিকভাবে মোটা অংকের টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হন। জেলা প্রশাসক তার আবেদনে সাড়া না দিয়ে ২ মার্চ উক্ত বালু মহালের ইজারা বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশের জন্য প্রেরণ করেন। কোন এক অজ্ঞাত কারণে ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে সুইহারী-ধামাহার-রামনগর এর মধ্যে বড়ইল মৌজার নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আক্ষেপ করে বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবের কারণে সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুরকে লকডাউন ঘোষণা করলে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকে। জিয়ার পাহারাদার প্রমেশ রায়সহ স্থানীয় লোকজন জানায়,গতকাল ৫মে বিকাল প্রায় ৪টায় নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও পুলিশ এসে ৩০ লোহার পাইপ,২টি হুইস পাইপ একটি ড্রেজার মেশিনসহ ৪ জনকে আটক করে নিয়ে যায়।
চলমান ইজারা গ্রহীতা রজবের লোকজন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জিয়ার ড্রেজার দেখাশোনা করা কর্মচারীদের ঘরটি ভেঙ্গে দুমরে মুচরে ফেলে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ বালু মহালের ইজারাদার উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেও সুফল না পেয়ে বর্তমানে লোকসানের পাহাড় গুনছে। অপরদিকে বড়ইল মৌজার বালু মহালের ঘাটটির ইজারা বিজ্ঞপ্তি না হওয়া শর্তেও অবৈধ ভাবে বীরদর্পে হাজার হাজার ট্রলি বালু উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে রজব বাহিনী। এব্যাপারে উদ্ধতন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসী।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ















