১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

বকশীগঞ্জের সীমান্তে ভারতীয় বুুনো হাতির তান্ডব

বকশীগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় তান্ডব চালিয়ে পাকা ধান,গাছপালা তছনছ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করেছে ভারতীয় বুনোহাতির পাল। এ সময় হাতি তাড়াতে গিয়ে হাতির আক্রমনে নিহত হয়েছে আবদুল মান্নান (৪৮) নামে এক কৃষক। বুধবার মধ্যরাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সাতানিপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মান্নান উত্তর পলাশতলা গ্রামের মৃত নাদের হুসেনের ছেলে।
এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী ৫ টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে হাতি আতংক বিরাজ করছে। ভারতীয় বুনো হাতির তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সীমান্ত এলাকার মানুষ।
জানাগেছে,গত মঙ্গলবার রাতে ৪০/৪৫ টি বুনো হাতির একটি পাল কাটাতারের বেড়া পেরিয়ে সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকার লোকালয়ে নেমে আসে। রাতভর লোকালয়ে তান্ডব চালিয়ে পাকাধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। বুধবার সারাদিন পাহাড়ের উচু টিলায় অবস্থান করলেও রাতে আবারো লোকালয়ে নেমে আসে। এ সময় হাতির পাল গাছপালা ভেঙ্গে বিনষ্ট এবং পাকাধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। ফসল বাচাঁতে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে আগুন জfলিয়ে ডাকঢোল পিটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করে। রাতভর চলে হাতি-মানুষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রমনের শিকার হন কৃষক আবদুল মান্নান।
হাতির পায়ের তলায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এতে করে সীমান্তবর্তী কামালপুর ইউনিয়নের যদুরচর, সাতানিপাড়া, টিলাপাড়া,শোমনাথ পাড়া ও লাউচাপড়া এলাকাার প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে হাতি আতংক বিরাজ করছে। ওই এলাকার মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম।
এ ব্যাপারে যদুরচর এলাকার কৃষক নুর ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা বলেন, মাঠে ধান পাকতে শুরু করেছে। আর এই সময়ে রাতের আধারে সবকিছু শেষ করছে হাতির পাল। তাছাড়া কখন লোকালয়ে নেমে এসে তান্ডব চালায় সেই ভয়ে রয়েছি। পালে ৪০/৫০ টি হাতি ছিলো বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান,মাঝে মধ্যেই ভারতীয় বুনোহাতি সীমান্ত এলাকায় হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। হাতিই সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের বড় সমস্যা।  হাতির সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :

বকশীগঞ্জের সীমান্তে ভারতীয় বুুনো হাতির তান্ডব

প্রকাশিত : ০১:২৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০
বকশীগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় তান্ডব চালিয়ে পাকা ধান,গাছপালা তছনছ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করেছে ভারতীয় বুনোহাতির পাল। এ সময় হাতি তাড়াতে গিয়ে হাতির আক্রমনে নিহত হয়েছে আবদুল মান্নান (৪৮) নামে এক কৃষক। বুধবার মধ্যরাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সাতানিপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মান্নান উত্তর পলাশতলা গ্রামের মৃত নাদের হুসেনের ছেলে।
এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী ৫ টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে হাতি আতংক বিরাজ করছে। ভারতীয় বুনো হাতির তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সীমান্ত এলাকার মানুষ।
জানাগেছে,গত মঙ্গলবার রাতে ৪০/৪৫ টি বুনো হাতির একটি পাল কাটাতারের বেড়া পেরিয়ে সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকার লোকালয়ে নেমে আসে। রাতভর লোকালয়ে তান্ডব চালিয়ে পাকাধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। বুধবার সারাদিন পাহাড়ের উচু টিলায় অবস্থান করলেও রাতে আবারো লোকালয়ে নেমে আসে। এ সময় হাতির পাল গাছপালা ভেঙ্গে বিনষ্ট এবং পাকাধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। ফসল বাচাঁতে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে আগুন জfলিয়ে ডাকঢোল পিটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করে। রাতভর চলে হাতি-মানুষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রমনের শিকার হন কৃষক আবদুল মান্নান।
হাতির পায়ের তলায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এতে করে সীমান্তবর্তী কামালপুর ইউনিয়নের যদুরচর, সাতানিপাড়া, টিলাপাড়া,শোমনাথ পাড়া ও লাউচাপড়া এলাকাার প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে হাতি আতংক বিরাজ করছে। ওই এলাকার মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম।
এ ব্যাপারে যদুরচর এলাকার কৃষক নুর ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা বলেন, মাঠে ধান পাকতে শুরু করেছে। আর এই সময়ে রাতের আধারে সবকিছু শেষ করছে হাতির পাল। তাছাড়া কখন লোকালয়ে নেমে এসে তান্ডব চালায় সেই ভয়ে রয়েছি। পালে ৪০/৫০ টি হাতি ছিলো বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান,মাঝে মধ্যেই ভারতীয় বুনোহাতি সীমান্ত এলাকায় হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। হাতিই সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের বড় সমস্যা।  হাতির সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ