১২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গাজীপুরে শ্রমিক নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে মৃত্যুবর্ষিকীর সব কর্মসূচি বাতিল করে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য বিতরণ ও মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিলো বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর মহানগরের পূবাইলের হায়দরাবাদ গ্রামে আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, পবিত্র কোরআন খতম, কালো ব্যাচ ধারণ, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও ইফতার বিতরণ। এ উপলক্ষে গত মঙ্গলবার ও বুধবার আহসান উল্লাহ মাস্টার ফাউন্ডেশন ও আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে গাজীপুরের কর্মহীন, হত দরিদ্র, অসহায় ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বুধবার গাজীপুরের পূবাইল ও টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে আহসান উল্লাহ মাস্টার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শ্রমজীবী ও পেশাজীবীসহ ১০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
উল্লেখ্য, আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুই বার সংসদ সদস্য, ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দুই দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আহসান উল্লাহ মাস্টার শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৪ সালের ৭ মে একদল সন্ত্রাসী টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রকাশ্যে দিবালোকে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করে। পরে ২০০৫ সালের ১৬ মে এ মামলার রায়ে ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
আহসান উল্লাহ মাস্টারের বড় ছেলে ও স্মৃতি পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল তার বাবার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সবাইকে দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
এবার করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বা গণজমায়েত হয় এমন ধরণের কোনো অনুষ্ঠান রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
ট্যাগ :

ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

প্রকাশিত : ০৫:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০
শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গাজীপুরে শ্রমিক নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে মৃত্যুবর্ষিকীর সব কর্মসূচি বাতিল করে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য বিতরণ ও মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিলো বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর মহানগরের পূবাইলের হায়দরাবাদ গ্রামে আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে পরিবারের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, পবিত্র কোরআন খতম, কালো ব্যাচ ধারণ, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও ইফতার বিতরণ। এ উপলক্ষে গত মঙ্গলবার ও বুধবার আহসান উল্লাহ মাস্টার ফাউন্ডেশন ও আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে গাজীপুরের কর্মহীন, হত দরিদ্র, অসহায় ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বুধবার গাজীপুরের পূবাইল ও টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে আহসান উল্লাহ মাস্টার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শ্রমজীবী ও পেশাজীবীসহ ১০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
উল্লেখ্য, আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুই বার সংসদ সদস্য, ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দুই দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আহসান উল্লাহ মাস্টার শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৪ সালের ৭ মে একদল সন্ত্রাসী টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রকাশ্যে দিবালোকে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করে। পরে ২০০৫ সালের ১৬ মে এ মামলার রায়ে ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
আহসান উল্লাহ মাস্টারের বড় ছেলে ও স্মৃতি পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল তার বাবার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সবাইকে দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
এবার করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে আহসান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বা গণজমায়েত হয় এমন ধরণের কোনো অনুষ্ঠান রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।