০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

কুমিল্লায় নতুন এলাকায় শনাক্ত হচ্ছে করোনাভাইরাস

নগরের পদুয়ার বাজার থেকে সম্প্রতি তোলা। ফাইল ছবি

কুমিল্লা জেলায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকার মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হচ্ছে। গত ২৮ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৮ জন।

আজ বৃহস্পতিবার নগরের হাটবাজার ও সড়কে লোকসমাগম বেড়েছে কয়েক গুণ। চলছে সব ধরনের যানবাহন। মসজিদেও মুসল্লি বেড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুমিল্লার বিভিন্ন কমিউনিটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

জেলা করোনাবিষয়ক ফোকাল পারসন ও কুমিল্লার ডেপুটি সার্জন মো. সাহাদাৎ হোসেন জানান, কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আটজনের। তাঁদের মধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঢুলিপাড়া এলাকায় ৪০ বছরের এক ব্যবসায়ী, আদর্শ সদর উপজেলায় ২৫ বছরের এক নারী, দেবীদ্বার উপজেলায় ৩ জন (২৭ ও ৫৭ বছরের দুই পুরুষ ও ৪৭ বছরের এক নারী), মুরাদনগর উপজেলায় ৩০ বছরের এক পুরুষ, মেঘনা উপজেলায় ৩০ বছরের এক পুরুষ ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় ৪২ বছরের এক পুরুষ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত কয়েক দিনের শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুমিল্লায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ৯ এপ্রিল। এরপর ১৯ দিনে শনাক্ত হলেন ৫২ জন। আর গত ৯ দিনে ৬৪ জন। এটি প্রায় জ্যামিতিক হারেই বাড়ছে। এটি কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষা বাড়ছে, শনাক্ত আরও বেশি হবে। এ অবস্থায় নিজেকে ও চারপাশ সুরক্ষিত রাখতে হবে। এ মাসও অন্ততপক্ষে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। কোনো কিছু খোলা ঠিক হবে না।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৫টি উপজেলায় ১১৬ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে দেবীদ্বারে ২৫ জন, লাকসামে ১৩, মুরাদনগরে ১২, চান্দিনায় ১১, তিতাসে ১১, দাউদকান্দিতে ৯, বুড়িচংয়ে ৮, বরুড়ায় ৭, মনোহরগঞ্জে ৫, আদর্শ সদর উপজেলায় ৫ (সিটি করপোরেশনে ৪ ও গ্রামাঞ্চলে ১ জন), সদর দক্ষিণে ৩, হোমনায় ২, ব্রাহ্মণপাড়ায় ২, মেঘনায় ২ জন ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ১ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন। দেবীদ্বারের তিনজন, চান্দিনার একজনসহ মোট চারজন মারা গেছেন। নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

কুমিল্লায় নতুন এলাকায় শনাক্ত হচ্ছে করোনাভাইরাস

প্রকাশিত : ০৭:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০

কুমিল্লা জেলায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকার মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হচ্ছে। গত ২৮ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৮ জন।

আজ বৃহস্পতিবার নগরের হাটবাজার ও সড়কে লোকসমাগম বেড়েছে কয়েক গুণ। চলছে সব ধরনের যানবাহন। মসজিদেও মুসল্লি বেড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুমিল্লার বিভিন্ন কমিউনিটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

জেলা করোনাবিষয়ক ফোকাল পারসন ও কুমিল্লার ডেপুটি সার্জন মো. সাহাদাৎ হোসেন জানান, কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আটজনের। তাঁদের মধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঢুলিপাড়া এলাকায় ৪০ বছরের এক ব্যবসায়ী, আদর্শ সদর উপজেলায় ২৫ বছরের এক নারী, দেবীদ্বার উপজেলায় ৩ জন (২৭ ও ৫৭ বছরের দুই পুরুষ ও ৪৭ বছরের এক নারী), মুরাদনগর উপজেলায় ৩০ বছরের এক পুরুষ, মেঘনা উপজেলায় ৩০ বছরের এক পুরুষ ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় ৪২ বছরের এক পুরুষ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত কয়েক দিনের শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুমিল্লায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ৯ এপ্রিল। এরপর ১৯ দিনে শনাক্ত হলেন ৫২ জন। আর গত ৯ দিনে ৬৪ জন। এটি প্রায় জ্যামিতিক হারেই বাড়ছে। এটি কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষা বাড়ছে, শনাক্ত আরও বেশি হবে। এ অবস্থায় নিজেকে ও চারপাশ সুরক্ষিত রাখতে হবে। এ মাসও অন্ততপক্ষে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। কোনো কিছু খোলা ঠিক হবে না।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৫টি উপজেলায় ১১৬ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে দেবীদ্বারে ২৫ জন, লাকসামে ১৩, মুরাদনগরে ১২, চান্দিনায় ১১, তিতাসে ১১, দাউদকান্দিতে ৯, বুড়িচংয়ে ৮, বরুড়ায় ৭, মনোহরগঞ্জে ৫, আদর্শ সদর উপজেলায় ৫ (সিটি করপোরেশনে ৪ ও গ্রামাঞ্চলে ১ জন), সদর দক্ষিণে ৩, হোমনায় ২, ব্রাহ্মণপাড়ায় ২, মেঘনায় ২ জন ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ১ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন। দেবীদ্বারের তিনজন, চান্দিনার একজনসহ মোট চারজন মারা গেছেন। নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর