করোনা সংক্রমণের পর কার্যত লকডাউন পুরো দেশ। শ্রমজীবী কর্মহীন মানুষ ও নিম্মবিত্ত, নিম্ম মধ্যবিত্ত মানুষের দু বেলা আহার জোটানোই কষ্টকর। এমন অবস্থায় গত প্রায় একমাসের অধিক সময় ধরে এসব মানুষের পাশে দাড়িয়েছে একজন রাজনীতিক।
প্রায় দুই শতাধিক মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যর সংস্থান করছেন তিনি। তার নাম খায়রুল হাসান জুয়েল। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
আজ বৃহস্পতিবারও প্রায় অর্ধশতাধিক হিজরা সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে দিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী। নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, শাহবাগ ও আজিমপুর এলাকায় থাকা প্রায় অর্ধশতাধিক তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী বিতরণ করেন।
এরমধ্যে ছিলো চাল, ডাল, ছোলা, আলু, তেল, পেয়াজ, চিড়া, চিনি, সাবানসহ নানা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই তিনি অভাবি মানুষের পাশে দাড়াচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্যেও পাঠিয়েছেন নানা সামগ্রী।
দেশের নানা প্রান্তে এসব উপহার সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন তিনি। এছাড়া ঢাকার বিভিন্ন স্থানেও মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌছে দিয়েছেন নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার সামনে প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিতে দেখা যায় খায়রুল হাসান জুয়েলকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ, বেসরকারি সংস্থা হাসিমুখ এর প্রতিষ্ঠাতা সানাউল হক সানী প্রমুখ।















