২৫ বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯তম জন্মবার্ষিকী। এই দিনটি পালন করতে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় প্রতি বছরই নানা কর্মসূচী।
এবারই সব কর্মসূচী কেড়ে নিল করোনা ভাইরাস। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তাই করোনার কারণে কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী কোনো অনুষ্ঠান ছাড়াই এবার নীরবেই পালিত হচ্ছে কবির স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে। অথচ প্রতিবছর বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকীতে তিন দিনব্যাপী থাকে নানা আয়োজন। বসে গ্রামীণ মেলা। করোনাভাইরাস এবার সবকিছু বদলে দিয়েছে। থমকে দিয়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তাই নীরবে নিভৃতেই কাটছে এবার বিশ্বকবির জন্মদিনটি।
কুষ্টিয়া শহর থেকে মাত্র ১৬কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। পদ্মা নদীর তীরবর্তী ছায়াশীতল ও নিরিবিল পরিবেশ থাকার কারণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন তাঁর স্মৃতিধন্য শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে। এখানে বসেই তিনি রচনা করেছেন কালজয়ী অনেক কাব্যগ্রন্থ, ছোট গল্প, নাটক ও উপন্যাস। তাই রবীন্দ্র্র সাহিত্যে শিলাইদহের গুরুত্ব অপরিসীম।
কবির স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়িতে বছর জুড়ে দর্শনার্থীদের ভীড় লেগে থাকলেও প্রায় দুই মাস ধরে এখানে শুনসান নীরবতা। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে কুঠিবাড়ি। তাই দর্শনার্থীদের আনাগোনা আর নেই। অথচ ২৫ বৈশাখ আসলেই কুঠিবাড়িত পা ফেলার জায়গা থাকে না।
বাঙ্গালী স্বত্বাকে বিশ্বদরবারে নতুন করে যে মনিষি পরিচয় করিয়েছেন তিনিই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর বিস্তৃত জ্ঞান ভান্ডার নতুন প্রজন্মসহ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক আর দূর হোক করোনা নামক অদৃশ্য জীবনাশক শক্তি। আর এমন প্রত্যাশা হোক সবার কবি জন্মদিনে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ



















