০৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নতুন সাজে সংসদ ভবন, কাল বিশেষ অধিবেশন

জাতীয় সংসদের দশম (বিশেষ) অধিবেশনকে সামনে রেখে সংসদ ভবনজুড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে নানা আয়োজন। নতুন সাজে সাজানো চলছে পুরো সংসদ ভবন এলাকা।

বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিবেন তাই বাড়তি প্রস্ততিও নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আগামীকাল রবিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় অধিবেশন শুরু হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ-২০২০) উপলক্ষে এই অধিবেশনকে বিশেষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনে শোক প্রস্তাব ও অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে। পরদিন ৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় বিশেষ অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হবে।

ওইদিন অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য ও কর্মময় রাজনৈতিক জীবন নিয়ে রাষ্ট্রপতির স্মারক বক্তৃতার পর তা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সাধারণ প্রস্তাব আনা হবে। ওই প্রস্তাবের ওপর সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা শেষে তা পাস হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মানুষ এখন ঠিকমতো বাঁচতেই ভুলে গেছে : অনুপম খের

নতুন সাজে সংসদ ভবন, কাল বিশেষ অধিবেশন

প্রকাশিত : ০১:২৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০

জাতীয় সংসদের দশম (বিশেষ) অধিবেশনকে সামনে রেখে সংসদ ভবনজুড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে নানা আয়োজন। নতুন সাজে সাজানো চলছে পুরো সংসদ ভবন এলাকা।

বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিবেন তাই বাড়তি প্রস্ততিও নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আগামীকাল রবিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় অধিবেশন শুরু হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ-২০২০) উপলক্ষে এই অধিবেশনকে বিশেষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনে শোক প্রস্তাব ও অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে। পরদিন ৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় বিশেষ অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হবে।

ওইদিন অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য ও কর্মময় রাজনৈতিক জীবন নিয়ে রাষ্ট্রপতির স্মারক বক্তৃতার পর তা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সাধারণ প্রস্তাব আনা হবে। ওই প্রস্তাবের ওপর সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা শেষে তা পাস হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর