০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত রেকর্ড ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) দেড় মাসের মাথায় আরেকটি রেকর্ড ভেঙে ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। কয়েকদিন পর পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিলিয়ন ডলারের ঘর টপকে যাওয়া এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই প্রথম বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪২ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করল। সর্বশেষ গত ২৮ অক্টোবর এই মজুত আরেকটি বিলিয়ন ডলারের ঘর টপকে ৪১.০৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল। গতবছর এসময় মজুতের পরিমাণ ছিল ৩২.৩৯ বিলিয়ন ডলার।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মূলত করোনাভাইরাসের ধাক্কায় অর্থনীতিতে সৃষ্ট নেতিবাচক অবস্থার কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় মজুত দিন দিন বাড়ছে।

গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ৮.৫৬ শতাংশ কমে ৫৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার আমদানি হয়। করোনা মহামারির ধাক্কা না থাকলে যা ৬০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যেত।

এরকম কম আমদানির প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেড় বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২ শতাংশ কমে আমদানি হয়েছে ১১.৭৪ বিলিয়ন ডলার। স্বাভাবিক সময় থাকলে কমপক্ষে ২ বিলিয়ন ডলার এই তিনমাসে অতিরিক্ত আমদানি খাতে ব্যয় হতো।

আমদানির পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানা কাজে যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হতো, তা এইসময় হয়নি। এটিও মজুত বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে বড় বিস্ময় প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল ১০.৯০ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৭.৭১ বিলিয়ন ডলার। আবার করোনা মহামারির মধ্যে ছোট আকারে হলেও রপ্তানি বেড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

গজারিয়ায় ফিলিং স্টেশন, খাদ্যগুদাম ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি কামরুজ্জামান রতন

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত রেকর্ড ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) দেড় মাসের মাথায় আরেকটি রেকর্ড ভেঙে ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। কয়েকদিন পর পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিলিয়ন ডলারের ঘর টপকে যাওয়া এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই প্রথম বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪২ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করল। সর্বশেষ গত ২৮ অক্টোবর এই মজুত আরেকটি বিলিয়ন ডলারের ঘর টপকে ৪১.০৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল। গতবছর এসময় মজুতের পরিমাণ ছিল ৩২.৩৯ বিলিয়ন ডলার।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মূলত করোনাভাইরাসের ধাক্কায় অর্থনীতিতে সৃষ্ট নেতিবাচক অবস্থার কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় মজুত দিন দিন বাড়ছে।

গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ৮.৫৬ শতাংশ কমে ৫৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার আমদানি হয়। করোনা মহামারির ধাক্কা না থাকলে যা ৬০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যেত।

এরকম কম আমদানির প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেড় বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২ শতাংশ কমে আমদানি হয়েছে ১১.৭৪ বিলিয়ন ডলার। স্বাভাবিক সময় থাকলে কমপক্ষে ২ বিলিয়ন ডলার এই তিনমাসে অতিরিক্ত আমদানি খাতে ব্যয় হতো।

আমদানির পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানা কাজে যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হতো, তা এইসময় হয়নি। এটিও মজুত বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে বড় বিস্ময় প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল ১০.৯০ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৭.৭১ বিলিয়ন ডলার। আবার করোনা মহামারির মধ্যে ছোট আকারে হলেও রপ্তানি বেড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ