০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জন কেরিকে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় জন কেরির হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জন কেরির হাতে এ বই তুলে দেন।

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে। ছবি: ফোকাস বাংলা

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসা জলবায়ু কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।’

এর আগে জন কেরি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের দিল্লি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। জন কেরিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রেস ব্রিফিং করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে যে উদারতা দেখিয়েছে তার প্রশংসা করেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক দূত জন কেরি। তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের একার দায় নয়। বরং জাতিসংঘসহ সকল দেশকে এই দায় নিতে হবে।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও বর্তমানে মিয়ানমারে যা চলছে সেটি মোকাবিলা করা নৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এ সংকট কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

এ সময় রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মার্কিন এই কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ হলো গ্রেটেস্ট হেলপিং হ্যান্ড। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মধ্যে এক উজ্জ্বল মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত ভার্চুয়াল ক্লাইমেট সামিটে যোগদানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করতেই তার এই সফর।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বন্ধ কারখানা চালু সহ পাবনার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন শিমুল বিশ্বাস

জন কেরিকে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:১৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় জন কেরির হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জন কেরির হাতে এ বই তুলে দেন।

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে। ছবি: ফোকাস বাংলা

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসা জলবায়ু কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।’

এর আগে জন কেরি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের দিল্লি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। জন কেরিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রেস ব্রিফিং করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে যে উদারতা দেখিয়েছে তার প্রশংসা করেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক দূত জন কেরি। তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের একার দায় নয়। বরং জাতিসংঘসহ সকল দেশকে এই দায় নিতে হবে।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও বর্তমানে মিয়ানমারে যা চলছে সেটি মোকাবিলা করা নৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এ সংকট কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

এ সময় রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মার্কিন এই কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ হলো গ্রেটেস্ট হেলপিং হ্যান্ড। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মধ্যে এক উজ্জ্বল মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত ভার্চুয়াল ক্লাইমেট সামিটে যোগদানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করতেই তার এই সফর।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ