০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

বগুড়ার শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিন জন আহত হয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হেলাল (২৮) কে শজিমেক হাসপাতাল বগুড়ায় ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে শেরপুর উপজেলার মহিপুর বাড়ই পাড়া এলাকায় কামরুল ইসলাম দিনারের বাড়িতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

থানায় অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে করতোয়া নদীর বাড়ইপাড়া ঘাটে মাছ ধরতে যান শেরপুর পৌরসভার উলিপুর এলাকার মো: মনছের আলী (৪৮)। ওই নদীর তীরে ধান চাষ করেছেন বাড়ইপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলাম দিনারের ছেলে মো:আশিক (২২)। বড়শি দিয়ে মাছ ধরলে ধান গাছের ক্ষতি হবে বলে মনছের আলীকে মাছ ধরতে নিশেষ করেন আশিক। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকালে মনছের আলী’র ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন তার লোকজন নিয়ে বাড়ইপাড়ায় কামরুল ইসলাম দিনারের বাড়িতে গেলে তুচ্ছ বিষয়ে ফের কথাকাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হেলাল (২৮) গুরুতর আহত হলে তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতাল ভর্তি করেন।

এদিকে কামরুল ইসলাম দিনারের দাবী মনছের আলী’র লোকজন (দিনারের) ছেলে আশিক ও স্ত্রী রাশেদা খাতুনকে মারপিট করে আহত করে এবং ভাঙচুর করে বাড়িতে থাকা নগদ একলক্ষ ৭০ হাজার টাকা লুট করে।
অপরদিকে মো: মনছের আলী অভিযোগ করেন
মিমাংশার জন্য ডেকে নিয়ে দিনার ও তার ছেলে আশিক পরিকল্পিতভাবে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হেলালকে হত্যার উদ্দেশ্যে রক্তাক্ত জখম করে ও হেলালের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়।
মনছের জানান তার ছেলে হেলাল উদ্দিন শজিমেক হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা শঙ্কাজনক।

শেরপুর থানার ওসি জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

প্রকাশিত : ০৫:২৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

বগুড়ার শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিন জন আহত হয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হেলাল (২৮) কে শজিমেক হাসপাতাল বগুড়ায় ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে শেরপুর উপজেলার মহিপুর বাড়ই পাড়া এলাকায় কামরুল ইসলাম দিনারের বাড়িতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

থানায় অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পহেলা বৈশাখ দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে করতোয়া নদীর বাড়ইপাড়া ঘাটে মাছ ধরতে যান শেরপুর পৌরসভার উলিপুর এলাকার মো: মনছের আলী (৪৮)। ওই নদীর তীরে ধান চাষ করেছেন বাড়ইপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলাম দিনারের ছেলে মো:আশিক (২২)। বড়শি দিয়ে মাছ ধরলে ধান গাছের ক্ষতি হবে বলে মনছের আলীকে মাছ ধরতে নিশেষ করেন আশিক। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকালে মনছের আলী’র ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন তার লোকজন নিয়ে বাড়ইপাড়ায় কামরুল ইসলাম দিনারের বাড়িতে গেলে তুচ্ছ বিষয়ে ফের কথাকাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হেলাল (২৮) গুরুতর আহত হলে তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতাল ভর্তি করেন।

এদিকে কামরুল ইসলাম দিনারের দাবী মনছের আলী’র লোকজন (দিনারের) ছেলে আশিক ও স্ত্রী রাশেদা খাতুনকে মারপিট করে আহত করে এবং ভাঙচুর করে বাড়িতে থাকা নগদ একলক্ষ ৭০ হাজার টাকা লুট করে।
অপরদিকে মো: মনছের আলী অভিযোগ করেন
মিমাংশার জন্য ডেকে নিয়ে দিনার ও তার ছেলে আশিক পরিকল্পিতভাবে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হেলালকে হত্যার উদ্দেশ্যে রক্তাক্ত জখম করে ও হেলালের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়।
মনছের জানান তার ছেলে হেলাল উদ্দিন শজিমেক হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা শঙ্কাজনক।

শেরপুর থানার ওসি জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ