চট্টগ্রাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত ও বন্দরকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত ও মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বেআইনিভাবে সভা, সমাবেশ, মিছিল ও কর্মবিরতি পালন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব কর্মসূচির ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। বন্দরের ক্রমবর্ধমান কার্যক্রম ও প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে যেকোনো মূল্যে বন্দরকে সার্বক্ষণিক সচল ও কার্যকর রাখা জরুরি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলকে সকল প্রকার বেআইনি ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে জানায়, যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে তাদের প্রতিহত করে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে বন্দর ব্যবহারকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্দেশনা অমান্য করে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠী যদি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী চাকুরি প্রবিধানমালা-১৯৯১সহ প্রযোজ্য সকল আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
ডিএস,./





















