রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। এই ঈদে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে নারী-পুরুষ খোলা ট্রাক ও পিকআপযোগে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এসব ট্রাক ঢাকায় গরু নিয়ে যাওয়ার পর ফিরতি পথে মানুষ নিয়ে আসছে। ফলে হাজার হাজার শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ খোলা গরুর ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে বাড়ি যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে। ঘরমুখী মানুষ বাস, ট্রাক, পিকআপভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেলযোগে গন্তব্যে যাচ্ছে।
এতে বাস ও ট্রাকে গাদাগাদি করে যাতায়াত করায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে মহাসড়কে দিনভর উত্তর ও পশ্চিমের পথে টাঙ্গাইল অংশে ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে।
এতে কোথাও কোথাও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। করটিয়ার হাটবাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পাড় পর্যন্ত মহাসড়কে এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া পরিবহনের চাপ এবং দফায় দফায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে।
পুংলি এলাকায় খোলা ট্রাকের যাত্রী মোতালেব জানান, ভোর রাতে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছি। এখন টাঙ্গাইলে যানজটে পড়ছি। আধাঘণ্টা ধরে একই স্থানে আটকা রয়েছি।
গরুবাহী ট্রাকে যাওয়া যাত্রীরা জানান, একদিকে ভাড়া কম অন্যদিকে বাস পাওয়া যাচ্ছে না। পেলেও ভাড়া তিনগুণ। আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষ এতে টাকা ভাড়া দিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে পারবে না। তাই খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে যাচ্ছি।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক




















