ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন জামগড়াস্থ পলমল গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর সামনে রমজান মিয়া’কে রাত ১২ ঘটিকার সময় কতিপয় দুর্বৃত্তদের দ্বারা ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে চলে যায় পরভর্তিতে’জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় নিকটস্থ নারী ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। রমজান মিয়া তার আপন খালার সাথে আশুলিয়ার জামগড়ার মোল্লা বাজার এলাকার জনৈক আব্দুর রশিদের বাসায় ভাড়া থেকে শিমুলতলাস্থ দি ভাই ভাই ফার্নিচার” নামীয় একটি দোকানে কাজ করতেন। উক্ত ঘটনায় মৃতের খালা মোসাম্মৎ কুলসুম বেগম,কর্তৃক অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আশুলিয়া থানার মামলা দায়ের করেন।
উপরোক্ত ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলে তা সিআইডি’র নজরে আসে। সিআইডি ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। এলআইসির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম এর তত্তাবধানে ঘটনার বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ ও গভীরভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের অবস্থান সনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাঁর নির্দেশে এলআইসির একাধিক চৌকস টিম দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি নেতৃত্বদানকারী আসামী-আমিনুল,সাগর মোল্লা,মোঃ ইউনুছ’কে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট হতে মৃতের ব্যবহৃত লুন্ঠিত মোবাইল এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার গ্রহনের মাধ্যমে কোর্টে সোর্পদ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ
















