পৌষ মাসের শুরুতেই চলতি মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে দেশের একাধিক অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার ও কাল বুধবার এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং আরো নতুন নতুন এলাকায় তা ছড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, পৌষের শুরুতেই উত্তরে শীত জেঁকে বসেছে। সোমবার বিস্তীর্ণ এলাকায় শৈত্যপ্রবাহও বয়ে যাচ্ছে। আরও দু-তিন দিন তা অব্যাহত থাকবে।
বজলুর রশীদ আরও বলেন, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও বরিশাল অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হচ্ছে। বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিস্তার পেতে পারে।
উল্লেখ্য, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। ঈশ্বরদী, রাজশাহী, বদলগাছী, রাজারহাট ও বরিশালেও তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।
বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে যেসব নির্দেশনা
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এবারের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটের আয়োজন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অত্যন্ত সীমিত আকারে করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে বাইরে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠান করা যাবে না।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় কমিশনার, মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহাসচিবকে এমন নির্দেশনা দিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, প্রতি বছর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘শুভ বড়দিন’ ২৫ ডিসেম্বর যথাযথ মর্যাদা, আনন্দ, উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হয়। সেই সঙ্গে ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষেও বিভিন্ন স্থানে আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। মহামারি করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী সব ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ অত্যন্ত সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়াভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত আকারে উদযাপন করা হচ্ছে।
তাই, এ দিন দু’টিতে প্রকাশ্যে কোনো সভা, সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা যৌক্তিক হবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহর এলাকায় স্থানীয়ভাবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা ও আলোচনা করে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।
এমতাবস্থায় অন্যান্য বছরের মতো ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরের ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ অনুষ্ঠান অত্যন্ত সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার ও নজরদারি অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ












