১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনার ঘোষণা

তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অঞ্চলটিতে মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির বিতর্কিত সফরের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয় জানিয়েছে, প্রথম দফার আলোচনা ‘বসন্তের শুরুতে’ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের আলোচনায় বাণিজ্য সহজীকরণ, ডিজিটাল বাণিজ্য এবং দুর্নীতিবিরোধী মান নিয়ে আলোচনা থাকবে।
ন্যান্সি পেলোসির সফরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। গত জুনে প্রথম ‘যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান ইনিশিয়েটিভ অন টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি ট্রেড’ শীর্ষক আলোচনার পরিকল্পনা উন্মোচিত হয়। উভয় পক্ষই এখন বলছে তারা ‘আলোচনায় সম্মতির বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন’।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয়ের উপপ্রধান সারাহ বিয়ানচি বলেন, ‘আমরা একটি উচ্চাভিলাষী সময়সূচী অনুসরণের পরিকল্পনা করছি… যা ২১ শতকের ন্যায্য, আরও সমৃদ্ধ এবং সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে’।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ছয়শ’ কোটি ডলার।

আগস্টের শুরুতে ন্যান্সি পেলোসির সফরের পর তাইওয়ান ঘিরে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া চালায় চীন। এরপরই তাইওয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র।

‘এক চীন নীতি’ স্বীকৃতি দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের সঙ্গে তাদের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে এরপরও তাইওয়ানের সঙ্গে ‘জোরালো অনানুষ্ঠানিক’ সম্পর্ক বজায় রাখে। দ্বীপটির কাছে অস্ত্র বিক্রিও করে ওয়াশিংটন।

স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বিবেচনা করে চীন। প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও অঞ্চলটিকে নিজেদের আওতায় রাখতে চায় চীন।

এদিকে, বৃহস্পতিবার পূর্ব এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেন, বেইজিংয়ের ‘ক্রমবর্ধমান বলপ্রয়োগ… তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’। তিনি বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘস্থায়ী নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেইজিংয়ের চলমান প্রচেষ্টার মুখে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এবং তাইওয়ানকে সমর্থন করার জন্য আমরা শান্ত, কিন্তু দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকবো’।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব

জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণা

যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনার ঘোষণা

প্রকাশিত : ০১:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অঞ্চলটিতে মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির বিতর্কিত সফরের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয় জানিয়েছে, প্রথম দফার আলোচনা ‘বসন্তের শুরুতে’ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের আলোচনায় বাণিজ্য সহজীকরণ, ডিজিটাল বাণিজ্য এবং দুর্নীতিবিরোধী মান নিয়ে আলোচনা থাকবে।
ন্যান্সি পেলোসির সফরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। গত জুনে প্রথম ‘যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান ইনিশিয়েটিভ অন টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি ট্রেড’ শীর্ষক আলোচনার পরিকল্পনা উন্মোচিত হয়। উভয় পক্ষই এখন বলছে তারা ‘আলোচনায় সম্মতির বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন’।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয়ের উপপ্রধান সারাহ বিয়ানচি বলেন, ‘আমরা একটি উচ্চাভিলাষী সময়সূচী অনুসরণের পরিকল্পনা করছি… যা ২১ শতকের ন্যায্য, আরও সমৃদ্ধ এবং সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে’।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ছয়শ’ কোটি ডলার।

আগস্টের শুরুতে ন্যান্সি পেলোসির সফরের পর তাইওয়ান ঘিরে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া চালায় চীন। এরপরই তাইওয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র।

‘এক চীন নীতি’ স্বীকৃতি দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের সঙ্গে তাদের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে এরপরও তাইওয়ানের সঙ্গে ‘জোরালো অনানুষ্ঠানিক’ সম্পর্ক বজায় রাখে। দ্বীপটির কাছে অস্ত্র বিক্রিও করে ওয়াশিংটন।

স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বিবেচনা করে চীন। প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও অঞ্চলটিকে নিজেদের আওতায় রাখতে চায় চীন।

এদিকে, বৃহস্পতিবার পূর্ব এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেন, বেইজিংয়ের ‘ক্রমবর্ধমান বলপ্রয়োগ… তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’। তিনি বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘস্থায়ী নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেইজিংয়ের চলমান প্রচেষ্টার মুখে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এবং তাইওয়ানকে সমর্থন করার জন্য আমরা শান্ত, কিন্তু দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকবো’।

বিজনেস বাংলাদেশ/হাবিব