একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে ১৩ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৪ মে পর্যন্ত এবং আগামী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন সোমবার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীকে অনলাইনে কমপক্ষে পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীর ফল ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচন করে দেয়া হয়।
আটটি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন।
আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে উত্তীর্ণরা একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে। অনলাইনের (www.xiclassadmission.gov.bd) পাশাপাশি টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে।
অনলাইনে ১৫০ টাকা দিয়েই ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। তবে এসএমএসের জন্য প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১২০ টাকা করে ফি দিতে হবে।
প্রথম পর্যায়ে ১৩ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত আবেদন করতে হবে। তবে ফল পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের আবেদন আগামী ৫ ও ৬ জুন গ্রহণ করা হবে।
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। এবার শিক্ষার্থী ভর্তির নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে।
এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৯ ও ২০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ২১ জুন।
তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে ২৪ জুন। এই পর্যায়ের ফল প্রকাশ হবে ২৫ জুন।
প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনসহ (মাইগ্রেশন) অন্যান্য কাজ শেষ করে ২৭ জুন থেকে ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করা হবে।
তবে অনলাইনে কীভাবে আবেদন করা যাবে সে বিষয়ে নীতিমালায় বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করবে।
এবার বিভাগীয় ও জেলা সদরের কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে শতভাগ আসন মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। তবে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পর যদি বিশেষ অগ্রাধিকার কোটার কোনো আবেদনকারী থাকে, তাহলে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসেবে নির্ধারিত কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। বিভিন্ন ধরনের অগ্রাধিকার কোটা আছে ১১ শতাংশ।
তবে এবার এসব কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায়, তবে এ আসনগুলোর আর কার্যকারিতা থাকবে না। আগে এসব কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে আসনগুলো সাধারণ কোটার প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হতো।
স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্ষেত্রে নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি হবে। এলাকাভেদে ভর্তির ফিও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।













