০২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬

সায়েন্স ল্যাবের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়নি: সেনাবাহিনী

রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকার শিরিন ম্যানশনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল।
আজ রোববার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান কমান্ডিং অফিসার মেজর মো. কায়সার বারী এ তথ্য জানান।

মেজর কায়সার বারী বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র দিয়ে ঘটনাস্থলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর আমরা মনে করছি এ বিস্ফোরণ বিস্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে সংঘটিত হয়নি। যদি বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা হতো তাহলে আমাদের যন্ত্রের মাধ্যমে সেটা বুঝতে পারতাম।’

এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রহমত উল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, সায়েন্স ল্যাবের ওই ভবনে ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি পেয়েছেন তারা। কোনো কারণে আগুনের স্পর্শ পাওয়ার পর ভবনের ভেতর জমে থাকা এই মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণে হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আজ রোববার সকাল পৌনে ১০টা ৫২ মিনিটে শিরিন ম্যানশনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। পরে ভবনে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর বিস্ফোরণের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করতে ওই ভবনটি ঘিরে রাখে পুলিশ। বেলা সাড়ে ১১টায় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা সেখানে যান। ভবনটিতে প্রবেশ করে বিস্ফোরণের কারণ খুঁজতে থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

সায়েন্স ল্যাবের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়নি: সেনাবাহিনী

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩

রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকার শিরিন ম্যানশনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল।
আজ রোববার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান কমান্ডিং অফিসার মেজর মো. কায়সার বারী এ তথ্য জানান।

মেজর কায়সার বারী বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র দিয়ে ঘটনাস্থলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর আমরা মনে করছি এ বিস্ফোরণ বিস্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে সংঘটিত হয়নি। যদি বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা হতো তাহলে আমাদের যন্ত্রের মাধ্যমে সেটা বুঝতে পারতাম।’

এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রহমত উল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, সায়েন্স ল্যাবের ওই ভবনে ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করে মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি পেয়েছেন তারা। কোনো কারণে আগুনের স্পর্শ পাওয়ার পর ভবনের ভেতর জমে থাকা এই মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণে হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আজ রোববার সকাল পৌনে ১০টা ৫২ মিনিটে শিরিন ম্যানশনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। পরে ভবনে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর বিস্ফোরণের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করতে ওই ভবনটি ঘিরে রাখে পুলিশ। বেলা সাড়ে ১১টায় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা সেখানে যান। ভবনটিতে প্রবেশ করে বিস্ফোরণের কারণ খুঁজতে থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ