০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬

কলাবাগানে বাসা থেকে যমুনা টিভির রিপোর্টারের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর কলাবাগান থানার লেক সার্কাস রোডের একটি বাসা থেকে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির এক সংবাদকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাসাটির ছাদের একটি চিলেকোঠা থেকে কুদরত-ই খুদা হৃদয় নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর উত্তর গ্রামের ইতালিপ্রবাসী আরিফ হোসেন মিঠুর ছেলে।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম সজিব। তিনি বলেন, দুপুরে খবর পেয়ে লেক সার্কাস রোডের অষ্টম তলায় তার রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার রুমে সিলিং ফ্যানের সাথে কালো কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

তার বন্ধু ইফতিয়াক হোসেন বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একটি মেয়ের সঙ্গে তার পাঁচ বছর ধরে সম্পর্ক ছিল। মেয়েটিকে খুবই ভালোবাসত সে। তার সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে হৃদয়।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধানগোষ্ঠী ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে আদর্শ সমাজ গঠনে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

কলাবাগানে বাসা থেকে যমুনা টিভির রিপোর্টারের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৬:২২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩

রাজধানীর কলাবাগান থানার লেক সার্কাস রোডের একটি বাসা থেকে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির এক সংবাদকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাসাটির ছাদের একটি চিলেকোঠা থেকে কুদরত-ই খুদা হৃদয় নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর উত্তর গ্রামের ইতালিপ্রবাসী আরিফ হোসেন মিঠুর ছেলে।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম সজিব। তিনি বলেন, দুপুরে খবর পেয়ে লেক সার্কাস রোডের অষ্টম তলায় তার রুম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার রুমে সিলিং ফ্যানের সাথে কালো কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

তার বন্ধু ইফতিয়াক হোসেন বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একটি মেয়ের সঙ্গে তার পাঁচ বছর ধরে সম্পর্ক ছিল। মেয়েটিকে খুবই ভালোবাসত সে। তার সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে হৃদয়।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh