পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে যেতে পঞ্চম দিনের মতো টিকিট সংগ্রহ করতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন হাজার হাজার মানুষ। টিকিট কাউন্টারের সামনে থেকে শুরু করে মানুষে এই লাইন গিয়ে ঠেকেছে প্রধান সড়কের কাছাকাছি। ঈদকে পরিবারের সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে গ্রামে যাবে রাজধানীবাসী। সবার সাথে এই ঈদের আনন্দ ভাগ করতে রীতিমত কষ্টসাধ্য এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হচ্ছে সবার। আর যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে।
প্রতিদিন টিকিট সংগ্রহ করতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসছে হাজার হাজার মানুষ। অনেকে টিকিট পাচ্ছে, আবার অনেকে টিকিট না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাসায় ফিরছেন। হতাশা এই জন্য যে টিকিট না পেলে যে সবার সাথে ঈদ আনন্দ ভাগ করা হবে না।
গত ১ জুন থেকে অগ্রিম টিকিট প্রত্যাশী মানুষের যে ভিড় ছিল কমলাপুরে তা আজ (৫ জুন) কয়েক গুণ বেশি।
১৪ তারিখের টিকিট পেতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই টিকিট প্রত্যাশীরা লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন। মানুষের এই টিকিটের লাইন মধ্যেরাত বা সেহেরির পর আরও দীর্ঘ হয়। আর সকালে তো কমলাপুর রূপ নেয় জনসমুদ্রে। কমলাপুরে এখন শুধু মানুষ আর মানুষ। টিকিট কাউন্টারের সামনে যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

আজ বিক্রি হচ্ছে আগামী ১৪ জুনের টিকিট। সকাল ৮টা থেকে মোট ২৬টি কাউন্টারে টিকিট দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্টার আছে দুইটি। এছাড়া বুধবার (৬ জুন) দেয়া হবে ১৫ জুনের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট।
টিকিট কাউন্টার থেকে জানানো হয়, একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। ঈদ উপলক্ষে বিক্রিত টিকিট ফেরতযোগ্য নয়। সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও সোনার বাংলা ট্রেনে কোনো আসন বিহীন টিকিট ইস্যু করা হবে না। অন্যান্য ট্রেনের ক্ষেত্রে শুধু যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন আসন বিহীন টিকিট ইস্যু করা হবে।
এদিকে ট্রেনর অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ রেলওয়ের নিজস্ব বাহিনী তৎপর রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ।






















