০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের অকল্যাণ করে কিছু অর্জন করা যায় না। সাম্প্রতিক সময়ের অগ্নিসন্ত্রাসের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না, জনগণের কল্যাণ করে অর্জন করা যায়। জনগণই মূল শক্তি। যারা এগুলো করছে তাদের চেতনার ফিরে আসুক- এটাই আশা করি।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকালে আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে এ বীরশ্রেষ্টদের উত্তরাধিকারী ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ৫ জন সেনা, ৩ জন নৌ ও ৩ জন বিমান বাহিনীর সদস্যদের শান্তিকালীন পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিসন্ত্রাস দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের সময়। মানুষকে কীভাবে জ্বালিয়ে মারতে পারে, কীভাবে একটা মানুষকে পুড়িয়ে মারে। সাম্প্রতিক সময়েও এ অগ্নিসন্ত্রাস দেখছি। সবাইকে সচেতন হতে হবে। নানা চক্রান্ত চলছে। এই বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পর থেকেই আমার প্রচেষ্টা ছিল দলমত নির্বিশেষে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তাদের সম্মানিত করা। তাদের ভাতা দেওয়া। তারা যেন গর্বের সঙ্গে বলতে পারে আমরা মুক্তিযোদ্ধা। ভাতার টাকাগুলো সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এ ছাড়াও চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি। তিন কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পায়। এর বাইরেও আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্যটাই হচ্ছে- এদেশে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না। আমরা ভূমিহীনদের ঘর, মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস করে দিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাইকে মনে রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। যে কাজই করি না কেন, আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা বীরের জাতি।

এর আগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। দিবসটিকে ঘিরে আলাদা বাণী দিয়েছেন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর

ট্যাগ :

বিজেপি এগিয়ে বড় ব্যবধানে, মমতা বললেন ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’

মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের অকল্যাণ করে কিছু অর্জন করা যায় না। সাম্প্রতিক সময়ের অগ্নিসন্ত্রাসের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না, জনগণের কল্যাণ করে অর্জন করা যায়। জনগণই মূল শক্তি। যারা এগুলো করছে তাদের চেতনার ফিরে আসুক- এটাই আশা করি।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকালে আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে এ বীরশ্রেষ্টদের উত্তরাধিকারী ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ৫ জন সেনা, ৩ জন নৌ ও ৩ জন বিমান বাহিনীর সদস্যদের শান্তিকালীন পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিসন্ত্রাস দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের সময়। মানুষকে কীভাবে জ্বালিয়ে মারতে পারে, কীভাবে একটা মানুষকে পুড়িয়ে মারে। সাম্প্রতিক সময়েও এ অগ্নিসন্ত্রাস দেখছি। সবাইকে সচেতন হতে হবে। নানা চক্রান্ত চলছে। এই বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পর থেকেই আমার প্রচেষ্টা ছিল দলমত নির্বিশেষে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তাদের সম্মানিত করা। তাদের ভাতা দেওয়া। তারা যেন গর্বের সঙ্গে বলতে পারে আমরা মুক্তিযোদ্ধা। ভাতার টাকাগুলো সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এ ছাড়াও চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি। তিন কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পায়। এর বাইরেও আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্যটাই হচ্ছে- এদেশে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না। আমরা ভূমিহীনদের ঘর, মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস করে দিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাইকে মনে রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। যে কাজই করি না কেন, আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা বীরের জাতি।

এর আগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। দিবসটিকে ঘিরে আলাদা বাণী দিয়েছেন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর