০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রেমালের প্রভাবে সুন্দরবন প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে করমজল পর্যটনকেন্দ্র জোয়ারের পানিতে তিন-চার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত তলিয়ে গেছে। তবে এর কারণে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের কুমির, হরিণ, কচ্ছপ ও বানরসহ অন্যান্য প্রাণীর তেমন কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই। রোববার (২৬ মে) দুপুরেরে এসব তথ্য জানিয়েছে বনবিভাগ।

এদিকে সুন্দরবনের কটকা ও কচিকালী এলাকা বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন হওয়ায় সেখানেও ৩ থেকে ৪ ফুট পানিতে তলিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে সাগর পাড়ের সুন্দরবনের দুবলার চরও। অপরদিকে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে সুন্দরবন উপকূলের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও চিংড়ি ঘের।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে করমজলে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ফুট জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ জলোচ্ছ্বাসে বনের এ কেন্দ্রের কোথাও কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

আজাদ কবির আরও বলেন, বনের অভ্যন্তরে পানি আরও বেশি হলেও তাতে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ ঝড় জলোচ্ছ্বাসে বন্যপ্রাণীর আশ্রয়ের জন্য বনের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় উঁচু টিলা তৈরি করে রাখা হয়েছে। পানি বাড়ায় বন্যপ্রাণী সেসব টিলায় আশ্রয় নিয়ে থাকে।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

রেমালের প্রভাবে সুন্দরবন প্লাবিত

প্রকাশিত : ০৫:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে করমজল পর্যটনকেন্দ্র জোয়ারের পানিতে তিন-চার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত তলিয়ে গেছে। তবে এর কারণে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের কুমির, হরিণ, কচ্ছপ ও বানরসহ অন্যান্য প্রাণীর তেমন কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই। রোববার (২৬ মে) দুপুরেরে এসব তথ্য জানিয়েছে বনবিভাগ।

এদিকে সুন্দরবনের কটকা ও কচিকালী এলাকা বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন হওয়ায় সেখানেও ৩ থেকে ৪ ফুট পানিতে তলিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে সাগর পাড়ের সুন্দরবনের দুবলার চরও। অপরদিকে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে সুন্দরবন উপকূলের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও চিংড়ি ঘের।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে করমজলে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ফুট জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ জলোচ্ছ্বাসে বনের এ কেন্দ্রের কোথাও কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

আজাদ কবির আরও বলেন, বনের অভ্যন্তরে পানি আরও বেশি হলেও তাতে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ ঝড় জলোচ্ছ্বাসে বন্যপ্রাণীর আশ্রয়ের জন্য বনের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় উঁচু টিলা তৈরি করে রাখা হয়েছে। পানি বাড়ায় বন্যপ্রাণী সেসব টিলায় আশ্রয় নিয়ে থাকে।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH