০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়

অচল ১০০ কোচ সচাল করা হচ্ছে

নীলফামারীর সৈয়দপুরে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় সম্পূর্ণ অকেজো (ড্যামেজ) হয়ে পড়া ১০০টি কোচ মেরামত করা হচ্ছে। রাজস্ব খাতের বাইরে প্রকল্পের আওতায় ঐ কোচগুলোর ভারী মেরামত বা পুনর্বাসন হচ্ছে।

কারখানা সূত্র জানায়, ওই ১০০টি কোচের আয়ুকাল অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে। রাজস্ব খাতের বাইরে প্রকল্পের আওতায় ওই কোচগুলো ভারী মেরামত করা হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ওই কোচগুলো সম্পূর্ণারুপে সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রডগেজ (বড়) লাইনের ৫০টি ও মিটার গেজ (ছোট) লাইনের ৫০টি কোচ। কোচগুলোর সুপার স্ট্রাকচার খুলে দিয়ে সম্পূর্ণ অবকাঠামো নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে।

সূত্রটি আরও জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রাজস্ব খাতের আওতায় প্রতিদিন দুটি করে কোচ মেরামত হয়ে থাকে। এর অতিরিক্ত হিসেবে প্রকল্পের আওতায় কারখানার ক্যারেজ শপে ওই ১০০টি কোচ সম্পূর্ণ পুনর্বাসন হচ্ছে। কারখানার অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বাভাবিক কাজের বাইরে অতিরিক্ত কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এজন্য তারা পাবেন বাড়তি মজুরি। একজন প্রকল্প পরিচালকের তদারকিতে চলতি বছরের শুরু থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে ৩টি কোচ মরোমত হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী গত ২৫ মে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কোচগুলোর মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রেলের অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীরা প্রকল্পের অধীনে কাজ করছেন। কথা হলে তারা জানান, ড্যামেজ কোচগুলো কাজ করে নতুন হয়ে উঠছে। আমাদের সক্ষমতা আছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে নতুন কোচ তৈরি করতে পারি এতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

এনিয়ে কথা হয় প্রকল্প পরিচালক ও পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী সাদেকুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নতুন অর্থবছরে আমরা সবগুলো কোচ পুনর্বাসন করে রেলের ট্রাফিক বিভাগে হস্থান্তর করতে পারবো। এরই মধ্যে আমরা তিনটি কোচ পুনর্বাসন করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়

অচল ১০০ কোচ সচাল করা হচ্ছে

প্রকাশিত : ১১:৩৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

নীলফামারীর সৈয়দপুরে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় সম্পূর্ণ অকেজো (ড্যামেজ) হয়ে পড়া ১০০টি কোচ মেরামত করা হচ্ছে। রাজস্ব খাতের বাইরে প্রকল্পের আওতায় ঐ কোচগুলোর ভারী মেরামত বা পুনর্বাসন হচ্ছে।

কারখানা সূত্র জানায়, ওই ১০০টি কোচের আয়ুকাল অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে। রাজস্ব খাতের বাইরে প্রকল্পের আওতায় ওই কোচগুলো ভারী মেরামত করা হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ওই কোচগুলো সম্পূর্ণারুপে সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রডগেজ (বড়) লাইনের ৫০টি ও মিটার গেজ (ছোট) লাইনের ৫০টি কোচ। কোচগুলোর সুপার স্ট্রাকচার খুলে দিয়ে সম্পূর্ণ অবকাঠামো নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে।

সূত্রটি আরও জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রাজস্ব খাতের আওতায় প্রতিদিন দুটি করে কোচ মেরামত হয়ে থাকে। এর অতিরিক্ত হিসেবে প্রকল্পের আওতায় কারখানার ক্যারেজ শপে ওই ১০০টি কোচ সম্পূর্ণ পুনর্বাসন হচ্ছে। কারখানার অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীরা স্বাভাবিক কাজের বাইরে অতিরিক্ত কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এজন্য তারা পাবেন বাড়তি মজুরি। একজন প্রকল্প পরিচালকের তদারকিতে চলতি বছরের শুরু থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে ৩টি কোচ মরোমত হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী গত ২৫ মে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কোচগুলোর মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রেলের অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীরা প্রকল্পের অধীনে কাজ করছেন। কথা হলে তারা জানান, ড্যামেজ কোচগুলো কাজ করে নতুন হয়ে উঠছে। আমাদের সক্ষমতা আছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে নতুন কোচ তৈরি করতে পারি এতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

এনিয়ে কথা হয় প্রকল্প পরিচালক ও পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী সাদেকুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, নতুন অর্থবছরে আমরা সবগুলো কোচ পুনর্বাসন করে রেলের ট্রাফিক বিভাগে হস্থান্তর করতে পারবো। এরই মধ্যে আমরা তিনটি কোচ পুনর্বাসন করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে