০১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪

ভারতের আসামে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা মৃত ৩৮

ছবি সংগৃহীত

ব্রহ্মপুত্রসহ আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে এখন পর্যন্ত ২৮টি জেলার প্রায় সাড়ে ১১ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে নতুন করে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে।

এ নিয়ে এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বন্যার কবলে পড়লো আসাম।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) এর বন্যা প্রতিবেদন অনুসারে, ২ জুলাই তিনসুকিয়া জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যজনের মৃত্যু হয়েছে ধেমাজি জেলায়।

ব্রহ্মপুত্র ছাড়াও সুবানসিরি, দিখৌ, দিসাং, বুড়িদিহিং, জিয়া-ভারালি, বেকি এবং কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে।

মঙ্গলবার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৮টি জেলার ১১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ। ইতোমধ্যেই ৪৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যার পানি ঘরে ঢুকে পড়ায় বন্যাকবলিতদের অনেকে উঁচু জমি, স্কুল ভবন, রাস্তাঘাট এমনকি সেতুতেও আশ্রয় নিয়েছেন।

এএসডিএমএর বন্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বন্যার পানিতে ৭৪টি সড়ক, ৬টি সেতু ও ১৪টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরও ৫টি বাঁধ ভেঙে গেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ৪২ হাজার ৪৭৬.১৮ হেক্টর ফসলি জমি। এছাড়া, বন্যায় ৮ লাখ ৩২ হাজার ৯৯টি পশুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র: দ্য প্রিন্ট

বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস

ট্যাগ :

ভারতের আসামে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা মৃত ৩৮

প্রকাশিত : ০১:১৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

ব্রহ্মপুত্রসহ আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে এখন পর্যন্ত ২৮টি জেলার প্রায় সাড়ে ১১ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে নতুন করে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে।

এ নিয়ে এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বন্যার কবলে পড়লো আসাম।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) এর বন্যা প্রতিবেদন অনুসারে, ২ জুলাই তিনসুকিয়া জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যজনের মৃত্যু হয়েছে ধেমাজি জেলায়।

ব্রহ্মপুত্র ছাড়াও সুবানসিরি, দিখৌ, দিসাং, বুড়িদিহিং, জিয়া-ভারালি, বেকি এবং কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে।

মঙ্গলবার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৮টি জেলার ১১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ। ইতোমধ্যেই ৪৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যার পানি ঘরে ঢুকে পড়ায় বন্যাকবলিতদের অনেকে উঁচু জমি, স্কুল ভবন, রাস্তাঘাট এমনকি সেতুতেও আশ্রয় নিয়েছেন।

এএসডিএমএর বন্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার বন্যার পানিতে ৭৪টি সড়ক, ৬টি সেতু ও ১৪টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরও ৫টি বাঁধ ভেঙে গেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ৪২ হাজার ৪৭৬.১৮ হেক্টর ফসলি জমি। এছাড়া, বন্যায় ৮ লাখ ৩২ হাজার ৯৯টি পশুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র: দ্য প্রিন্ট

বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস