০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন

দুর্নীতি কমলে রাস্তা নির্মাণ ব্যয় ৩০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব: উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

সড়ক নির্মাণ ব্যয় আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অনেক বেশি উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, “রাস্তাঘাট দুর্নীতির বড় ক্ষেত্র। দুর্নীতি কমানো গেলে এবং প্রকৌশলীরা আন্তরিক হলে নির্মাণ ব্যয় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।”

সোমবার সকাল ১১টায় ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিন প্রমুখ।

এসময় উপদেষ্টা আরও বলেন, “অপরিকল্পিত ব্যয়, স্বচ্ছতার অভাব এবং অনিয়মের কারণে রাস্তা নির্মাণ খরচ বেড়ে যাচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে এসব নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে।”

ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মে মাসে। ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পুরোপুরি হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অংশে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ইউটার্ন থাকবে না এবং যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল আদায় শুরু হচ্ছে।

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের আশা, এ অংশ চালু হলে রাজধানীর যানজট কিছুটা কমবে, পণ্য পরিবহন হবে দ্রুত ও সাশ্রয়ী। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য এটি বিকল্প রুট হিসেবে কাজ করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন

দুর্নীতি কমলে রাস্তা নির্মাণ ব্যয় ৩০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব: উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

প্রকাশিত : ০৪:৪২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

সড়ক নির্মাণ ব্যয় আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অনেক বেশি উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, “রাস্তাঘাট দুর্নীতির বড় ক্ষেত্র। দুর্নীতি কমানো গেলে এবং প্রকৌশলীরা আন্তরিক হলে নির্মাণ ব্যয় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।”

সোমবার সকাল ১১টায় ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিন প্রমুখ।

এসময় উপদেষ্টা আরও বলেন, “অপরিকল্পিত ব্যয়, স্বচ্ছতার অভাব এবং অনিয়মের কারণে রাস্তা নির্মাণ খরচ বেড়ে যাচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে এসব নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে।”

ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ভোগড়া বাইপাস থেকে মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মে মাসে। ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পুরোপুরি হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপের ১৮ কিলোমিটার অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অংশে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ইউটার্ন থাকবে না এবং যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল আদায় শুরু হচ্ছে।

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের আশা, এ অংশ চালু হলে রাজধানীর যানজট কিছুটা কমবে, পণ্য পরিবহন হবে দ্রুত ও সাশ্রয়ী। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য এটি বিকল্প রুট হিসেবে কাজ করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ডিএস./