সারাদেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চট্টগ্রাম ও মাগুরায় এক তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও এক ডাকাত নিহত হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নাসির ওরফে মামুন (৩৫) নামে এক তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। সে আনোয়ারার বারাসাত ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার বাসিন্দা।
আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বলেন, শনিবার ভোর রাতে দুধকুমড়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ভোর রাতে পুলিশ দুধকুমড়া এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে দুপক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থলে নাসির ওরফে মামুনের লাশ পাওয়া যায়। সেখান থেকে দেশে তৈরি দুইটি বন্দুক (এলজি) ও কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
ওসি দুলাল আরো জানান, নাসিরের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানাসহ চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে। সে চট্টগ্রাম পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। মাস ছয়েক আগে চট্টগ্রাম আদালতে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়।
এদিকে, মাগুরার মোহাম্মদপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাশার বিশ্বাস সোহাগ (৪০) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে উপজেলার রামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দাবি, বাশার ডাকাত দলের সদস্য। তার নামে মোহাম্মদপুর থানায় চুরি ও ডাকাতির ১২টি মামলা রয়েছে। সে উপজেলার নহাটা গ্রামের গোলাম সরোয়ার বিশ্বাসের ছেলে।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, রাতে রামপুর এলাকায় ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি করছিল একদল ডাকাত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে বাশারের মৃত্যু হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চার রাউন্ড বন্দুকের গুলি, তিনটি গুলির খোসা ও চারটি রামদা উদ্ধার করেছে।












