০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ, গেজেট প্রকাশ

সংগৃহীত ছবি

দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতিতে মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে ইঞ্জিনক্ষমতার সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এসংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতির গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগের আমদানিনীতিতে (২০২১-২০২৪) সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধি-নিষেধ ছিল।

নতুন এই নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে।

তবে এতে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন নীতিতে আমদানির সুযোগ বাড়াতে আরো কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি এখন থেকে মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা। একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের জন্য আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে কাঁচামাল আমদানির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়েছে নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এ।

২০২১-২০২৪ আমদানিনীতি আদেশে এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন আদেশে সেই সুযোগ আরো বিস্তৃত করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :

মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ, গেজেট প্রকাশ

প্রকাশিত : ০২:৪৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতিতে মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে ইঞ্জিনক্ষমতার সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এসংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতির গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগের আমদানিনীতিতে (২০২১-২০২৪) সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধি-নিষেধ ছিল।

নতুন এই নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে।

তবে এতে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন নীতিতে আমদানির সুযোগ বাড়াতে আরো কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি এখন থেকে মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা। একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের জন্য আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে কাঁচামাল আমদানির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়েছে নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এ।

২০২১-২০২৪ আমদানিনীতি আদেশে এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন আদেশে সেই সুযোগ আরো বিস্তৃত করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএস./