০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় মাটিরাঙ্গা অডিটোরিয়ামে জাবারাং কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

জাবারাং কল্যাণ সমিতির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মো. মাঈনুদ্দিন রাজুর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নারায়ণ ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল প্রমুখ।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পটি খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং ওয়াশ (WASH—পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি) কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু এবং তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা ও সামগ্রিক কল্যাণের উন্নয়ন করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জীবন রক্ষাকারী সেবা সহজলভ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের সময় দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি সহায়তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্পটি কার্যকর অবদান রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, দুর্গম এলাকার শিশু ও প্রান্তিক পরিবারের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জীবন রক্ষাকারী সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :

মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

প্রকাশিত : ০৩:১৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় মাটিরাঙ্গা অডিটোরিয়ামে জাবারাং কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

জাবারাং কল্যাণ সমিতির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মো. মাঈনুদ্দিন রাজুর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নারায়ণ ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল প্রমুখ।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পটি খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং ওয়াশ (WASH—পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি) কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু এবং তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা ও সামগ্রিক কল্যাণের উন্নয়ন করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জীবন রক্ষাকারী সেবা সহজলভ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের সময় দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি সহায়তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্পটি কার্যকর অবদান রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, দুর্গম এলাকার শিশু ও প্রান্তিক পরিবারের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জীবন রক্ষাকারী সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

ডিএস./