০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বোরহানউদ্দিনে মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধের ২৫০ মি. এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের বড় মানিকা ইউনিয়ন অংশের ১৫০ মি. ও পক্ষিয়া ইউনিয়নের ১০০ মি.অংশের বাঁধ চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

অমাবশ্যা তিথি ও দক্ষিণ পূর্বদিকের প্রবল বাতাসের বেগের কারণে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে মেঘনার পানি স্তর অনেক উপরে। এসব কারণে সাগরের ঢেউ আঁছড়ে পড়ে যেকোনো সময় ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর তা ঘটলে উপজেলার ইউনিয়ন বড়মানিকা, কুতুবা, পক্ষিয়া ও পৌরসভা এলাকার প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড দাবি করছে ভয়ের কিছু নেই।

বুধবার বিকালে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বড় মানিকা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাটামারার আলতাফ হাওলাদার বাড়ির পেছনের ১৫০ মিটার এবং পক্ষিয়া ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের ১০০ মি. অংশ চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে মাটি ভরে বাঁধের দুর্বলস্থানে ফেলা হচ্ছে। কিছু অংশে জিও ব্যাগের চট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে।

বড় মানিকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দার ও পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাগর হাওলাদার জানান, রাতে তারা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেন। তারা বলেন, বাঁধ ছুটে গেলে উপজেলার ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে। তাই ভালো মানের কাজ হওয়ার দাবি জানান তারা।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড, অঞ্চল-১ এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ূন কবির জানান, পূর্ব দিকের বাতাস হলে একটু সমস্যা। তবে অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সমস্যা হবে না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধের ২৫০ মি. এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ

প্রকাশিত : ১২:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের বড় মানিকা ইউনিয়ন অংশের ১৫০ মি. ও পক্ষিয়া ইউনিয়নের ১০০ মি.অংশের বাঁধ চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

অমাবশ্যা তিথি ও দক্ষিণ পূর্বদিকের প্রবল বাতাসের বেগের কারণে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে মেঘনার পানি স্তর অনেক উপরে। এসব কারণে সাগরের ঢেউ আঁছড়ে পড়ে যেকোনো সময় ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর তা ঘটলে উপজেলার ইউনিয়ন বড়মানিকা, কুতুবা, পক্ষিয়া ও পৌরসভা এলাকার প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড দাবি করছে ভয়ের কিছু নেই।

বুধবার বিকালে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বড় মানিকা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাটামারার আলতাফ হাওলাদার বাড়ির পেছনের ১৫০ মিটার এবং পক্ষিয়া ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের ১০০ মি. অংশ চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে মাটি ভরে বাঁধের দুর্বলস্থানে ফেলা হচ্ছে। কিছু অংশে জিও ব্যাগের চট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে।

বড় মানিকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দার ও পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাগর হাওলাদার জানান, রাতে তারা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেন। তারা বলেন, বাঁধ ছুটে গেলে উপজেলার ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বে। তাই ভালো মানের কাজ হওয়ার দাবি জানান তারা।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড, অঞ্চল-১ এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ূন কবির জানান, পূর্ব দিকের বাতাস হলে একটু সমস্যা। তবে অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সমস্যা হবে না।