০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কেশম দ্বীপে সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জবাবে ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।

এই হামলাটিকে কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অংশ বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এ ধরনের সীমিত হামলা এর আগেও গোপনে পরিচালিত হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রক্রিয়ার ঠিক আগের দিনে চালানো এই সামরিক পদক্ষেপটি মনে করিয়ে দিচ্ছে যে ইরান পরিস্থিতির এখনও সমাধান হয়নি এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা জিইয়ে রয়েছে।

এমন এক সময়ে এই আক্রমণটি চালানো হলো, যার কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে কূটনীতির পথ খোলা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হতেই পারে।

সোমবার (২ নভেম্বর) একই ধরনের সুর শোনা গেছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের গলায়ও। সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ বা সমাধান খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কিছুটা অগ্রগতি অর্জন করেছে।

 

_Rs_

জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা

প্রকাশিত : ০১:০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কেশম দ্বীপে সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জবাবে ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।

এই হামলাটিকে কোনো বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অংশ বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এ ধরনের সীমিত হামলা এর আগেও গোপনে পরিচালিত হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রক্রিয়ার ঠিক আগের দিনে চালানো এই সামরিক পদক্ষেপটি মনে করিয়ে দিচ্ছে যে ইরান পরিস্থিতির এখনও সমাধান হয়নি এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা জিইয়ে রয়েছে।

এমন এক সময়ে এই আক্রমণটি চালানো হলো, যার কয়েক ঘণ্টা আগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে কূটনীতির পথ খোলা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হতেই পারে।

সোমবার (২ নভেম্বর) একই ধরনের সুর শোনা গেছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের গলায়ও। সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ বা সমাধান খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কিছুটা অগ্রগতি অর্জন করেছে।

 

_Rs_