০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন সামরিকঘাঁটি ও রণতরী আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: ইরান

FILE PHOTO: A display featuring missiles and a portrait of Iran's Supreme Leader Ayatollah Ali Khamenei is seen at Baharestan Square in Tehran, Iran September 27, 2017. Nazanin Tabatabaee Yazdi/TIMA via REUTERS.

যুক্তরাষ্ট্রকে হুশিয়ারি করে দিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক কমান্ডার বলেছেন, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে মার্কিন সামরিকঘাঁটি ও পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পাল্লার মধ্যেই রয়েছে।

বুধবার বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এয়ারস্পেস বিভাগের প্রধান আমির আলি হাজিজাদেহ বুধবার বলেন, তারা আমাদের আওতায় রয়েছে। যদি তারা অগ্রসর হয়, তবে আমরা তাদের আঘাত হানতে পারব।

ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্যই জানা গেছে।

আমির আলি বলেন, গার্ড বাহিনী তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার ক্ষমতা আরও নিখুঁত করে তুলেছে এবং সেগুলো মার্কিন বাহিনীর কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত আল দাফরা ঘাঁটি ও আফগানিস্তানে অবস্থিত কান্দাহার ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারবে।

চলতি বছরের মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে করা আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি থেকে বের হয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন।

চুক্তিটিতে ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন এবং সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে তাদের ছায়া গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেয়ার বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ না থাকায় এটি পরিপূর্ণ হয়নি বলে দাবি তার।

ট্রাম্পের এসব পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

মার্কিন সামরিকঘাঁটি ও রণতরী আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: ইরান

প্রকাশিত : ১২:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রকে হুশিয়ারি করে দিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক কমান্ডার বলেছেন, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে মার্কিন সামরিকঘাঁটি ও পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলো তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পাল্লার মধ্যেই রয়েছে।

বুধবার বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এয়ারস্পেস বিভাগের প্রধান আমির আলি হাজিজাদেহ বুধবার বলেন, তারা আমাদের আওতায় রয়েছে। যদি তারা অগ্রসর হয়, তবে আমরা তাদের আঘাত হানতে পারব।

ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্যই জানা গেছে।

আমির আলি বলেন, গার্ড বাহিনী তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার ক্ষমতা আরও নিখুঁত করে তুলেছে এবং সেগুলো মার্কিন বাহিনীর কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত আল দাফরা ঘাঁটি ও আফগানিস্তানে অবস্থিত কান্দাহার ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারবে।

চলতি বছরের মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে করা আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি থেকে বের হয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন।

চুক্তিটিতে ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন এবং সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে তাদের ছায়া গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেয়ার বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ না থাকায় এটি পরিপূর্ণ হয়নি বলে দাবি তার।

ট্রাম্পের এসব পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিবি/রেআ