১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতে মোরগ গ্রেফতার

ভারতের মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় এক বালিকার সঙ্গে অসভ্য আচরণ করায় গ্রেফতার হলো প্রতিবেশীর মোরগ। বালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মোরগটির সঙ্গে মালিককে সস্ত্রীক আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঋতিকা নামে ৫ বছরের ওই বালিকা তাদের বাড়ির সামনে খেলছিল।

মোরগটি এ সময় তাকে আক্রমণ করে এবং তার গালে বার বার ঠোকরাতে শুরু করে। ঋতিকা রক্তাক্ত অবস্থায় কান্নাকাটি শুরু করলে তার মা পুনম কুশবাহা এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং তাকে নিয়ে থানায় যান। পুনম সেই মোরগ ও তার মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুনম জানান, ‘আমার প্রতিবেশী পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর পোষা এই মোরগের আচার-আচরণ মোটেই সুবিধার না। এটি বেশ কিছু দিন ধরেই আমার শিশুকন্যা ঋতিকাকে জ্বলাতন করেছে। এটির জ্বালায় ঋতিকা বাড়ির বাইরে বেরতে পর্যন্ত ভয় পায়।

বার বার পাপ্পুদের এ বিষয়ে জানালেও কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি তারা। আদরের মোরগ সম্পর্কে কোনো অভিযোগ কানেও তুলতেই রাজি নন তারা। গত পাঁচ মাসে প্রায় চার বার মোরগটি আমার মেয়েকে আক্রমণ করেছে’। থানায় অভিযোগের পর পুলিশ মোরগসহ পাপ্পু ও তার স্ত্রীকে ডাকা হয়। পরে মোরগটিকে আটক করা হলে পাপ্পুর স্ত্রী ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমাকে জেলে পুরে মোরগকে ছেড়ে দেয়া হোক’।

পরে অবশ্য মোরগটিকে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। জানা গেছে, পাপ্পুরা নিঃসন্তান। কয়েক বছর আগে মোরগটিকে তারা মাত্র ৫ টাকায় কিনেছিলেন। তারপর থেকে মোরগটিকে তারা সন্তান স্নেহেই লালন করছেন।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ভারতে মোরগ গ্রেফতার

প্রকাশিত : ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

ভারতের মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় এক বালিকার সঙ্গে অসভ্য আচরণ করায় গ্রেফতার হলো প্রতিবেশীর মোরগ। বালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মোরগটির সঙ্গে মালিককে সস্ত্রীক আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঋতিকা নামে ৫ বছরের ওই বালিকা তাদের বাড়ির সামনে খেলছিল।

মোরগটি এ সময় তাকে আক্রমণ করে এবং তার গালে বার বার ঠোকরাতে শুরু করে। ঋতিকা রক্তাক্ত অবস্থায় কান্নাকাটি শুরু করলে তার মা পুনম কুশবাহা এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং তাকে নিয়ে থানায় যান। পুনম সেই মোরগ ও তার মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুনম জানান, ‘আমার প্রতিবেশী পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর পোষা এই মোরগের আচার-আচরণ মোটেই সুবিধার না। এটি বেশ কিছু দিন ধরেই আমার শিশুকন্যা ঋতিকাকে জ্বলাতন করেছে। এটির জ্বালায় ঋতিকা বাড়ির বাইরে বেরতে পর্যন্ত ভয় পায়।

বার বার পাপ্পুদের এ বিষয়ে জানালেও কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি তারা। আদরের মোরগ সম্পর্কে কোনো অভিযোগ কানেও তুলতেই রাজি নন তারা। গত পাঁচ মাসে প্রায় চার বার মোরগটি আমার মেয়েকে আক্রমণ করেছে’। থানায় অভিযোগের পর পুলিশ মোরগসহ পাপ্পু ও তার স্ত্রীকে ডাকা হয়। পরে মোরগটিকে আটক করা হলে পাপ্পুর স্ত্রী ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমাকে জেলে পুরে মোরগকে ছেড়ে দেয়া হোক’।

পরে অবশ্য মোরগটিকে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। জানা গেছে, পাপ্পুরা নিঃসন্তান। কয়েক বছর আগে মোরগটিকে তারা মাত্র ৫ টাকায় কিনেছিলেন। তারপর থেকে মোরগটিকে তারা সন্তান স্নেহেই লালন করছেন।