ঢাকা বিকাল ৫:১৪, সোমবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ইরান-ইরাক সীমান্তে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১০০, আহত ১০০০

ইরান ও ইরাকের উত্তর সীমান্তে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রায় এক হাজার জন আহত হন। ইতিমধ্যে আহতদের জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে।

রবিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরাকি একজন আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, ইরান সীমান্তের খুব কাছে আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে সুলাইমানিয়াহ প্রদেশের পেনজিনে ছিল এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, তা তুরস্ক, আরমেনিয়া, কুয়েত, জর্দান, লেবানন, সৌদি আরব ও বাহরাইন ও কাতার থেকেও অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ জানিয়েছে, কুর্দি সরকার-শাসিত সুলাইমানিয়া শহর থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে হালাবজার কাছে ভূমিকম্প প্রচণ্ড আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৮ মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে এবং এর মূলকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৩দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ভূমিকম্পের কেন্দ্রের দূরত্ব অনেক হলেও সেখানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাগদাদের ভবনগুলো প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে। অনেকে একে প্রথমে বিস্ফোরণ বলে মনে করলেও কম্পন এক মিনিটের বেশি সময় স্থায়ী হওয়ায় পরে একে ভূমিকম্প বলে বুঝতে পারে।

ভূমিকম্পের পর কয়েক দফা আফটার শক হয়েছে এবং ইরানের কুর্দিস্তান, কেরমানশাহ, ইলাম, খুজিস্তান, হামেদান, পশ্চিম আজারবাইজান, পূর্ব আজারবাইজান, লোরেস্তান, তেহরান, কাজভিন, যানজান ও কোম প্রদেশ থেকে তা অনুভূত হয়।

ইরানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে কেরমানশাহ প্রদেশে বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়া, গ্রাম এলাকার কিছু ঘর-বাড়ি ধ্বংসের খবর পাওয়া গেছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ