০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শিল্পী খালিদ হোসেনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

একুশে পদক পাওয়া নজরুল সংগীতের বরেণ্য শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও সংগীতগুরু খালিদ হোসেন বুধবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে মারা যান।

শিল্পী খালিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। ইদানিং তার কিডনির জটিলতা বেড়েছিল। ফুসফুসসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যাও ছিল। চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসেই হাসপাতালে নেওয়া হতো তাকে। তখন দুই-তিন দিন হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি থাকতেন। গত ৪ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। খালিদ হোসেনের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছিল।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত : ১১:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শিল্পী খালিদ হোসেনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

একুশে পদক পাওয়া নজরুল সংগীতের বরেণ্য শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও সংগীতগুরু খালিদ হোসেন বুধবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে মারা যান।

শিল্পী খালিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। ইদানিং তার কিডনির জটিলতা বেড়েছিল। ফুসফুসসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যাও ছিল। চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসেই হাসপাতালে নেওয়া হতো তাকে। তখন দুই-তিন দিন হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি থাকতেন। গত ৪ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। খালিদ হোসেনের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছিল।

 

বিবি/এমএ