০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

নোয়াখালীতে গরমে শ্রেণিকক্ষে অজ্ঞান হয়ে পড়ল মাদরাসাছাত্রী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একটি মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থী গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুরের জয়নারায়ণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীর নাম আফিফা রিজওয়ানা। সে ওই মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী এবং শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।

জানা যায়, আজ সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল। সবাই শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের জন্য অপেক্ষা করছিল। ১০টার দিকে আফিফা হঠাৎ গরম সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তার মাথায় পানি ঢালার পর জ্ঞান ফেরে। এরপর তার শিক্ষক বাবা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, আফিফা অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। আমরা তার মাথায় পানি ঢালার পর সে সুস্থ বোধ করলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। আফিফা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করছিল। আমরা তাদেরও ছুটি দিয়ে দিয়েছি।

মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল তৈয়ব উল্যাহ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পাঠদানের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকলে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমি মনে করি।

বেগমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছে শুনলাম। বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য যদি এমন হয় তাহলে আমি বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে কথা বলব। পাশাপাশি শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিস্তারিত জানানোর জন্য বলব।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

নোয়াখালীতে গরমে শ্রেণিকক্ষে অজ্ঞান হয়ে পড়ল মাদরাসাছাত্রী

প্রকাশিত : ০৩:২১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একটি মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থী গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আমানউল্যাপুরের জয়নারায়ণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীর নাম আফিফা রিজওয়ানা। সে ওই মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী এবং শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।

জানা যায়, আজ সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল। সবাই শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের জন্য অপেক্ষা করছিল। ১০টার দিকে আফিফা হঠাৎ গরম সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তার মাথায় পানি ঢালার পর জ্ঞান ফেরে। এরপর তার শিক্ষক বাবা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, আফিফা অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। আমরা তার মাথায় পানি ঢালার পর সে সুস্থ বোধ করলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। আফিফা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ বোধ করছিল। আমরা তাদেরও ছুটি দিয়ে দিয়েছি।

মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল তৈয়ব উল্যাহ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পাঠদানের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন থাকলে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে আমি মনে করি।

বেগমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছে শুনলাম। বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য যদি এমন হয় তাহলে আমি বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে কথা বলব। পাশাপাশি শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিস্তারিত জানানোর জন্য বলব।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে