১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

বিডিবিএল ও সোনালী ব্যাংকের মার্জার শুরু

বিডিবিএল ও সোনালী ব্যাংকের মার্জার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উভয় ব্যাংক আলোচনার মধ্যে দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বা কারও চাপে একীভূত করন বা মার্জার করা হচ্ছেনা। মার্জার পদ্ধতির শতভাগ নিয়ম মেনে আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান,  বিডিবিএল চেয়ারম্যান শামীমা নার্গিস ও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

রোববার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, বিডিবিএলের চারটি ইনডিকেটরের মধ্যে তিনটিই ভালো আছে, শুধু একটিতে একটু দুর্বল অবস্থায় আছে, খেলাপি ঋণ। আগে যেটা ৪১ শতাংশ ছিল, আমরা সেটা কমিয়ে ৩৪ শতাংশে নিয়ে এসেছি। মার্জারের যে নীতিমালা আছে চারটি ইন্ডিকেটরের মধ্যে খেলাপি ঋণের বিষয়টা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ।

শামীমা নার্গিস বলেন, আপনারা জানেন, এক বছরে আমি ৪১ থেকে ৩৪ শতাংশে এসেছি। ছয় মাসে ৩৪ থেকে ৫-১০ বা ১৫তে আসা সম্ভব না। খেলাপি ঋণ শুধুই আমার একটিভনেস না, যার যে খেলাপি তাকেও এগিয়ে আসতে হবে। সে যদি এগিয়ে না আসে তার জামানত বিক্রি করতে হলেও আমাকে অনেকগুলো ধাপ অর্থঋণ আদালত, অর্থ আদালত, মামলা এসব ধাপ অতিক্রম করে আসতে হবে। যেটা কোনোভাবেই ছয় মাসে সম্ভব না।

বিডিবিএল সময় নিতে পারত তারপরও কেন মার্জারে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাইভেট ব্যাংকগুলো যেমন গ্যারান্টি দিচ্ছে, আগামী এক বছরে এত হাজার কোটি টাকা আনব আমি সেই গ্যারান্টি দিতে পারছি না। কারণ আমাদের ব্রাঞ্চের সংখ্যা কম। মাত্র ৫০টি। কাজেই আমি যে সময় নেব বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর আমাকে ৫-১০ বছর সময় দেবে না৷

বিডিবিএলর কর্মীরা মার্জারে না যেতে খোলা চিঠির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, এখানে দুই ব্যাংকের পর্ষদ মিলে একীভূতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাজেই তারা অনেক কিছু প্লাস মাইনাস করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটা বেটার হয় সেটা করা হয়েছে।

এসময় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, আমরা অনেক চিন্তা ভাবনা করেই মার্জারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা কোনো চাপের মুখে নয়, নিজেরাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দুই ব্যাংকের দুই ধরনের অভিজ্ঞতা আছে। সেগুলা কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। আজকে বিডিবিএলের চেয়ারম্যানও ছিলেন এখানে। তার কিছু প্রশ্ন ছিল। গভর্নর সেগুলোর সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন।

সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আফজাল করিম বলেন, সোনালী ব্যাংকের এই মুহূর্তে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা। অপরদিকে বিডিবিএলের ৩২০০ কোটি টাকা। যা প্রায় ৫০ ভাগের এক ভাগ৷ সেম অবস্থা লোনের ক্ষেত্রেও। কাজেই এটা সোনালী ব্যাংকে খুব বেশি ইফেক্ট পড়বে না। আর বিডিবিএল এর এমপ্লয়িদের শঙ্কা বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আমাদের প্রায় ১৮ হাজার কর্মী আছে, তারপরও অনেক লোকবল ঘাটতি আছে, আর বিডিবিএল’র ছয়শর মতো কর্মী আছে। সুতরাং তাদের শঙ্কার কিছু নাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এন আই/একে

বিডিবিএল ও সোনালী ব্যাংকের মার্জার শুরু

প্রকাশিত : ০৪:২১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

বিডিবিএল ও সোনালী ব্যাংকের মার্জার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উভয় ব্যাংক আলোচনার মধ্যে দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বা কারও চাপে একীভূত করন বা মার্জার করা হচ্ছেনা। মার্জার পদ্ধতির শতভাগ নিয়ম মেনে আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান,  বিডিবিএল চেয়ারম্যান শামীমা নার্গিস ও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

রোববার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, বিডিবিএলের চারটি ইনডিকেটরের মধ্যে তিনটিই ভালো আছে, শুধু একটিতে একটু দুর্বল অবস্থায় আছে, খেলাপি ঋণ। আগে যেটা ৪১ শতাংশ ছিল, আমরা সেটা কমিয়ে ৩৪ শতাংশে নিয়ে এসেছি। মার্জারের যে নীতিমালা আছে চারটি ইন্ডিকেটরের মধ্যে খেলাপি ঋণের বিষয়টা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ।

শামীমা নার্গিস বলেন, আপনারা জানেন, এক বছরে আমি ৪১ থেকে ৩৪ শতাংশে এসেছি। ছয় মাসে ৩৪ থেকে ৫-১০ বা ১৫তে আসা সম্ভব না। খেলাপি ঋণ শুধুই আমার একটিভনেস না, যার যে খেলাপি তাকেও এগিয়ে আসতে হবে। সে যদি এগিয়ে না আসে তার জামানত বিক্রি করতে হলেও আমাকে অনেকগুলো ধাপ অর্থঋণ আদালত, অর্থ আদালত, মামলা এসব ধাপ অতিক্রম করে আসতে হবে। যেটা কোনোভাবেই ছয় মাসে সম্ভব না।

বিডিবিএল সময় নিতে পারত তারপরও কেন মার্জারে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাইভেট ব্যাংকগুলো যেমন গ্যারান্টি দিচ্ছে, আগামী এক বছরে এত হাজার কোটি টাকা আনব আমি সেই গ্যারান্টি দিতে পারছি না। কারণ আমাদের ব্রাঞ্চের সংখ্যা কম। মাত্র ৫০টি। কাজেই আমি যে সময় নেব বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর আমাকে ৫-১০ বছর সময় দেবে না৷

বিডিবিএলর কর্মীরা মার্জারে না যেতে খোলা চিঠির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিডিবিএল চেয়ারম্যান বলেন, এখানে দুই ব্যাংকের পর্ষদ মিলে একীভূতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাজেই তারা অনেক কিছু প্লাস মাইনাস করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটা বেটার হয় সেটা করা হয়েছে।

এসময় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, আমরা অনেক চিন্তা ভাবনা করেই মার্জারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা কোনো চাপের মুখে নয়, নিজেরাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দুই ব্যাংকের দুই ধরনের অভিজ্ঞতা আছে। সেগুলা কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। আজকে বিডিবিএলের চেয়ারম্যানও ছিলেন এখানে। তার কিছু প্রশ্ন ছিল। গভর্নর সেগুলোর সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন।

সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আফজাল করিম বলেন, সোনালী ব্যাংকের এই মুহূর্তে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা। অপরদিকে বিডিবিএলের ৩২০০ কোটি টাকা। যা প্রায় ৫০ ভাগের এক ভাগ৷ সেম অবস্থা লোনের ক্ষেত্রেও। কাজেই এটা সোনালী ব্যাংকে খুব বেশি ইফেক্ট পড়বে না। আর বিডিবিএল এর এমপ্লয়িদের শঙ্কা বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। আমাদের প্রায় ১৮ হাজার কর্মী আছে, তারপরও অনেক লোকবল ঘাটতি আছে, আর বিডিবিএল’র ছয়শর মতো কর্মী আছে। সুতরাং তাদের শঙ্কার কিছু নাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এন আই/একে