০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অল্প সময়ে বেশি বলার রেকর্ড ও রিদমিক

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অল্প সময়ে বেশি বলার রেকর্ড ও রিদমিক এ তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ লেখক জ্যাকব এফ ফিল্ড। ফিল্ড তার সম্পাদিত ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস : দ্য স্পিচেস দ্যাট ইন্সপায়ার্স হিস্টি’ নামে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বক্তব্যের একটি সংকলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।

তার মতে, ৭ই মার্চের ভাষণে রিদমিক জায়গাগুলো এমন,‘যদি হুকুম দিবার নাও পারি’ ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল’, ‘যার যা কিছু আছে তাই দিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করো’, ‘তোমাদের আমরা ভাতে মারব, পানিতে মারব’, ‘সর্বত্র সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল’, ‘আর যদি একটা গুলি চলে’ এসব।

আব্রাহাম লিংকনের ‘গেটিসবার্গ এড্রেসের’ এর শব্দ সংখ্যা ২৭২, সময় ৩ মিনিটের কম। মার্টিন লুথার কিং-এর ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ এর সময় ছিল ১৯ মিনিট, শব্দ সংখ্যা ১৬৬৭। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের সময় ১৮ মিনিট, শব্দ ১১০৫ (এক হাজার একশত পাঁচ)।

ইতোমধ্যে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর সংস্থাটি পরিচালক ইরিনা বোকাভা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণটি ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসাবে ঘোষণা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গণতান্ত্রিক সরকারের তথ্য কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে: অধ্যাপক নাহরিন

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অল্প সময়ে বেশি বলার রেকর্ড ও রিদমিক

প্রকাশিত : ০৯:৩২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ অল্প সময়ে বেশি বলার রেকর্ড ও রিদমিক এ তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ লেখক জ্যাকব এফ ফিল্ড। ফিল্ড তার সম্পাদিত ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস : দ্য স্পিচেস দ্যাট ইন্সপায়ার্স হিস্টি’ নামে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বক্তব্যের একটি সংকলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।

তার মতে, ৭ই মার্চের ভাষণে রিদমিক জায়গাগুলো এমন,‘যদি হুকুম দিবার নাও পারি’ ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল’, ‘যার যা কিছু আছে তাই দিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করো’, ‘তোমাদের আমরা ভাতে মারব, পানিতে মারব’, ‘সর্বত্র সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল’, ‘আর যদি একটা গুলি চলে’ এসব।

আব্রাহাম লিংকনের ‘গেটিসবার্গ এড্রেসের’ এর শব্দ সংখ্যা ২৭২, সময় ৩ মিনিটের কম। মার্টিন লুথার কিং-এর ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ এর সময় ছিল ১৯ মিনিট, শব্দ সংখ্যা ১৬৬৭। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের সময় ১৮ মিনিট, শব্দ ১১০৫ (এক হাজার একশত পাঁচ)।

ইতোমধ্যে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর সংস্থাটি পরিচালক ইরিনা বোকাভা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণটি ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসাবে ঘোষণা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান