০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী বিমানে ত্রুটি মামলায় ১০ কর্মীর জামিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভিযুক্ত ১০ কর্মী। মামলার আরেক আসামি ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হাইকোর্ট থেকে আগেই জামিন পেয়েছেন। এতে এ মামলায় জামিন পেলেন সব আসামি।

এদিন আসামিদের মধ্যে বিল্লাল হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম। পরের নয় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন প্রধান প্রকৌশলী এমসিসি (ভারপ্রাপ্ত) বিল্লাল হোসেন, জুনিয়ার টেকনিশিয়ান মো. সিদ্দিকুর রহমান, প্রকৌশলী কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামীউল হক, মো. লুত্ফর রহমান, মিলনচন্দ্র বিশ্বাস, মো. জাকির হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী কর্মকর্তা প্রডাকশন (ভারপ্রাপ্ত) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী পরিদর্শন ও মান নিশ্চিতকরণ (ভারপ্রাপ্ত) এসএম সিদ্দিক, জুনিয়র টেকনিশিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং মো. শাহ আলম ও ইঞ্জিনিয়ার অফিসার মো. নাজমুল।

এছাড়া এদিন ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীব মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি (এফআরটি) দেখে তাতে স্বাক্ষর করেন এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মামলার নথি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এর আগে চলতি মাসের ৭ ডিসেম্বর আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মাহবুবুল আলম।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ বোয়িং-৭৭৭ এ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এ কারণে তুর্কমেনিস্থানে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় বিমানটি।

ওই ঘটনায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর সংস্থার পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে বাংলাদেশ বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়েল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী বিমানে ত্রুটি মামলায় ১০ কর্মীর জামিন

প্রকাশিত : ০৮:০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভিযুক্ত ১০ কর্মী। মামলার আরেক আসামি ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হাইকোর্ট থেকে আগেই জামিন পেয়েছেন। এতে এ মামলায় জামিন পেলেন সব আসামি।

এদিন আসামিদের মধ্যে বিল্লাল হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম। পরের নয় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন প্রধান প্রকৌশলী এমসিসি (ভারপ্রাপ্ত) বিল্লাল হোসেন, জুনিয়ার টেকনিশিয়ান মো. সিদ্দিকুর রহমান, প্রকৌশলী কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামীউল হক, মো. লুত্ফর রহমান, মিলনচন্দ্র বিশ্বাস, মো. জাকির হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী কর্মকর্তা প্রডাকশন (ভারপ্রাপ্ত) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী পরিদর্শন ও মান নিশ্চিতকরণ (ভারপ্রাপ্ত) এসএম সিদ্দিক, জুনিয়র টেকনিশিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং মো. শাহ আলম ও ইঞ্জিনিয়ার অফিসার মো. নাজমুল।

এছাড়া এদিন ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীব মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি (এফআরটি) দেখে তাতে স্বাক্ষর করেন এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মামলার নথি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এর আগে চলতি মাসের ৭ ডিসেম্বর আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মাহবুবুল আলম।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ বোয়িং-৭৭৭ এ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এ কারণে তুর্কমেনিস্থানে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় বিমানটি।

ওই ঘটনায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর সংস্থার পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে বাংলাদেশ বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়েল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এমএম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।