০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

কারাগারে ভাষার দাবিতে আটক শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতেন বঙ্গবন্ধু

১৯৭১ সালে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল ৫২’র ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা।

১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে রাষ্ট্রদোহসহ বেশ কিছু অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আটক করা হয় সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতাকে। পরবর্তিতে মওলানা ভাসানীসহ অন্যান্য নেতারা ছাড়া পেলেও মুক্তি পাননি শেখ মুজিব।

কখনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কখনো বা ফরিদপুর, আবার কখনো গোপালগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হয় তাকে। তবে কারাগারে বসেই ভাষার দাবিতে করা আন্দোলনে আটক শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতেন শেখ মুজিব।

সে সময় বাঙ্গালি ও পশ্চিম পাকিস্তানিদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে শাসন করার চেষ্টা করছিলো প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। সরকারের মন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে রদবদল করে বাঙ্গালিদের মধ্যেও বিভেদ তৈরি করে ভাষার দাবিকে স্তিমিত করার অপচেষ্টা চালায়।

১৯৫০ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি করে হত্যা করা হয় ৭ জন রাজবন্দীকে। ফলে ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে সমগ্র পূর্ববাংলা তথা আজকের বাংলাদেশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

কারাগারে ভাষার দাবিতে আটক শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতেন বঙ্গবন্ধু

প্রকাশিত : ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

১৯৭১ সালে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল ৫২’র ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা।

১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে রাষ্ট্রদোহসহ বেশ কিছু অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আটক করা হয় সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের বেশ ক’জন কেন্দ্রীয় নেতাকে। পরবর্তিতে মওলানা ভাসানীসহ অন্যান্য নেতারা ছাড়া পেলেও মুক্তি পাননি শেখ মুজিব।

কখনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কখনো বা ফরিদপুর, আবার কখনো গোপালগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হয় তাকে। তবে কারাগারে বসেই ভাষার দাবিতে করা আন্দোলনে আটক শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতেন শেখ মুজিব।

সে সময় বাঙ্গালি ও পশ্চিম পাকিস্তানিদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে শাসন করার চেষ্টা করছিলো প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। সরকারের মন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে রদবদল করে বাঙ্গালিদের মধ্যেও বিভেদ তৈরি করে ভাষার দাবিকে স্তিমিত করার অপচেষ্টা চালায়।

১৯৫০ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি করে হত্যা করা হয় ৭ জন রাজবন্দীকে। ফলে ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে সমগ্র পূর্ববাংলা তথা আজকের বাংলাদেশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর