সম্প্রতি রাজধানীসহ সারা দেশে চাঁদাবাজদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজরা বেপরোয়াভাবে দেশ ব্যাপি চলাচলরত যানবাহন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের নিকট হতে চাঁদা আদায় করছে।
এ প্রেক্ষিতে র্যাব-১ এর আভিযানিক দল সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
মামলার ভিকটিম শামীম সরকার (৩৪), পিতা-মোঃ আতাউর রহমান, সাং-হিজলিয়া, সরকার বাড়ী, থানা-কাপাসিয়া, জেলা-গাজীপুরকে ব্যবসায়ীক পরিচয়ের সূত্রে আসামী মেহেদী গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩:৩০ ঘটিকার সময় হাউস বিল্ডিং এলাকায় দেখা করতে বলে। একই তারিখ বিকাল ০৪:০০ ঘটিকার সময় আসামীর সাথে দেখা হলে আসামী ভিকটিম শামিম সরকারকে জোরপূর্বক অপহরণ করতঃ উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৯নং সেক্টর, বাসা নং-৩ এর ছাদে নিয়ে যায়।
ছাদে থাকা আসামীর অন্যান্য সহযোগীরা মিলে ভিকটিম শামিমকে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীর ভিকটিমকে রিভলবার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে ভিকটিম নিরুপায় হয়ে নিজের ও বন্ধুদের নিকট হতে বিকাশে মোট ৯২ হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেওয়ার পরও তাকে নির্যাতন করতে থাকে।
পরবর্তীতে আসামীরা উভারে একটি মাইক্রোবাসা ভাড়া করে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নেমে যায় এবং ভিকটিমকে মাইক্রোতে করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম শামীম বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা রুজু করেন। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ইং ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ ৪ ঘটিকার সময় ১৬:৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-১ উত্তরা, ঢাকার আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উত্তরা পশ্চিম থানার অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার এজাহার নামীয় ১নং আসামী মোঃ রবিউল ইসলাম টিপু (৫১)২নং আসামী মেহেদী হাসান মিলন(৪৭),৩নং আসামী মোঃ হাসান মামুন (৩৮)কে একটি পিস্তলসহ গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত আসামীদেরকে উদ্ধাকৃত আলামতসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিএস./



















