১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

পণের জন্য শাশুড়ি-ননদের অত্যাচার, আত্মঘাতী গায়িকা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৪:১৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • 141

আত্মহত্যা করলেন গায়িকা সুস্মিতা রাজ। কর্ণাটকের জনপ্রিয় প্লে ব্যাক সিঙ্গার সুস্মিতার মৃত্যুর পর জোর শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
রিপোর্টে প্রকাশ, ২০১৮ সালে শরত কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয় সুস্মিতা রাজের। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই শরতের বাড়ির লোকজন পণের জন্য সুস্মিতার উপর অত্যাচার শুরু করেন বলে অভিযোগ। শরতের মা বৈদেহী, বোন গীতা নিয়মিত সুস্মিতার উপর শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার চালাতেন বলে অভিযোগ করা হয়। স্বামীকে বার বার বলেও কোনও কাজ হয়নি। মা এবং বোনের বিরুদ্ধে শরত কোনও সময় কোনও কথা শুনতে রাজি হননি।

শুধু তাই নয়, মায়ের কথায় শরত আরও বেশি করে তার উপর অত্যাচার চালাতেন বলেও অভিযোগ করেন সুস্মিতা। আত্মহত্যার আগে নিজের মা-কে এমনই একটি চিঠি লেখেন গায়িকা। শরত এবং তাঁর পরিবারের লোক শাস্তি না পেলে, তার আত্মা কখনও শান্তি পাবে না বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করেন কর্ণাটকের ওই গায়িকা।

সুস্মিতার মৃত্যুর পর মুখ খোলেন তার ভাই সচিন। তিনি বলেন, একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের সময় শরতের সঙ্গে তার দিদির পরিচয় হয়। এরপর দুই বাড়ির মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয় এবং তা ছাদনাতলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে শরতের সঙ্গে বিয়ে হয় সুস্মিতার। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই সুস্মিতার উপর শরতের পরিবার অত্যাচার শুরু করে বলে অভিযোগ করেন সচিন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা

পণের জন্য শাশুড়ি-ননদের অত্যাচার, আত্মঘাতী গায়িকা

প্রকাশিত : ০৪:১৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আত্মহত্যা করলেন গায়িকা সুস্মিতা রাজ। কর্ণাটকের জনপ্রিয় প্লে ব্যাক সিঙ্গার সুস্মিতার মৃত্যুর পর জোর শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
রিপোর্টে প্রকাশ, ২০১৮ সালে শরত কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয় সুস্মিতা রাজের। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই শরতের বাড়ির লোকজন পণের জন্য সুস্মিতার উপর অত্যাচার শুরু করেন বলে অভিযোগ। শরতের মা বৈদেহী, বোন গীতা নিয়মিত সুস্মিতার উপর শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার চালাতেন বলে অভিযোগ করা হয়। স্বামীকে বার বার বলেও কোনও কাজ হয়নি। মা এবং বোনের বিরুদ্ধে শরত কোনও সময় কোনও কথা শুনতে রাজি হননি।

শুধু তাই নয়, মায়ের কথায় শরত আরও বেশি করে তার উপর অত্যাচার চালাতেন বলেও অভিযোগ করেন সুস্মিতা। আত্মহত্যার আগে নিজের মা-কে এমনই একটি চিঠি লেখেন গায়িকা। শরত এবং তাঁর পরিবারের লোক শাস্তি না পেলে, তার আত্মা কখনও শান্তি পাবে না বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করেন কর্ণাটকের ওই গায়িকা।

সুস্মিতার মৃত্যুর পর মুখ খোলেন তার ভাই সচিন। তিনি বলেন, একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের সময় শরতের সঙ্গে তার দিদির পরিচয় হয়। এরপর দুই বাড়ির মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয় এবং তা ছাদনাতলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে শরতের সঙ্গে বিয়ে হয় সুস্মিতার। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই সুস্মিতার উপর শরতের পরিবার অত্যাচার শুরু করে বলে অভিযোগ করেন সচিন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ