অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা বিধিমালার গেজেট সংক্রান্ত বিষয়ে আপিল বিভাগের আদেশের জন্য আগামী ২ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
বিষয়টি আজ আদালতে উত্থাপিত হলে অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, আজকে বেঞ্চের একজন বিচারপতি নেই। এটা ফুলবেঞ্চে শুনানি করতে হবে। তাই আগামী ২ জানুয়ারি এটার আদেশ হবে।
মাসদার হোসেন মামলায় ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে আলাদা করতে ঐতিহাসিক এক রায় দেয়। রায়ে জুডিশিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস ঘোষণা করা হয়। বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার জন্য সরকারকে ১২ দফা নির্দেশনা দেয়া হয় রায়ে।
ওই রায়ের আলোকে ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হয়ে বিচার বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। রায়ের নির্দেশনার অনুযায়ি গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালার একটি খসড়া প্রস্তত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়। খসড়াটি ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার অনুরূপ হওয়ায় তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি বলে জানায় আপিল বিভাগ। পরে অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা ও আচরণ সংক্রান্ত বিধিমালার সংশোধন করে গেজেট প্রকাশে নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ। তা প্রকাশে কয়েকদফা সময়ও নেয় রাষ্ট্রপক্ষ।
এরই মধ্যে আবারো গত ২৭ জুলাই বিধিমালার একটি খসড়া আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আপিল বিভাগে দাখিল করে। পরে খসড়াটি বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। এরই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বসার আহ্বান জানায় প্রধান বিচারপতি। এর মধ্যে গত ১৬ নভেম্বর রাতে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
ওইদিন বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন,বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর এ গেজেট প্রকাশ হয়।
























