০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

মায়ের ভুলেই ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় পাঁচবছর বয়সী মুজাহিদুল ইসলাম মায়ের কাছে পানি চেয়েছিল। মা কাছে থাকা পানির বোতল ছেলের হাতে তুলে দেন। কিন্তু পানি গলা দিয়ে নামতেই ছটফট শুরু করে শিশুটি। কী হয়েছে বুঝতে না বাবা–মা দুজনেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। পরে জানা যায় ওই বোতলে ছিল এসিড। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শিশুটি।

বুধবার (১৮ মার্চ)সন্ধ্যায় জেলার জীবননগর শহরের উপজেলা মার্কেটের জুলেখা জুয়েলার্স নামের গয়নার দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুজাহিদুল উপজেলার সুটিয়া গ্রামের তেমাথাপাড়ার ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ ও তার স্ত্রী পাঁচ বছরের ছেলে মুজাহিদুলকে নিয়ে জীবননগর শহরে গয়নার ওই দোকানে যান। দোকান মালিক সাইফুল ইসলাম তখন দোকানের বাইরে থাকায় শিশুটির মা-বাবা সন্তানকে নিয়ে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন।

এ সময় শিশুটি মায়ের কাছে পানি চায়। মা দোকানে থাকা হাতের কাছের পানির বোতল ছেলেকে দিলে সে পান করে। এরপর শিশুটি যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং জানায় শিশুটিকে এসিড মিশ্রিত পানি খাওয়ানো হয়েছে।

অসু্স্থ ওই শিশুকে তাৎক্ষণিকভ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিতে বলেন। সেখান থেকে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

মায়ের ভুলেই ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৯:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২০

চুয়াডাঙ্গায় পাঁচবছর বয়সী মুজাহিদুল ইসলাম মায়ের কাছে পানি চেয়েছিল। মা কাছে থাকা পানির বোতল ছেলের হাতে তুলে দেন। কিন্তু পানি গলা দিয়ে নামতেই ছটফট শুরু করে শিশুটি। কী হয়েছে বুঝতে না বাবা–মা দুজনেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। পরে জানা যায় ওই বোতলে ছিল এসিড। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শিশুটি।

বুধবার (১৮ মার্চ)সন্ধ্যায় জেলার জীবননগর শহরের উপজেলা মার্কেটের জুলেখা জুয়েলার্স নামের গয়নার দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুজাহিদুল উপজেলার সুটিয়া গ্রামের তেমাথাপাড়ার ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ ও তার স্ত্রী পাঁচ বছরের ছেলে মুজাহিদুলকে নিয়ে জীবননগর শহরে গয়নার ওই দোকানে যান। দোকান মালিক সাইফুল ইসলাম তখন দোকানের বাইরে থাকায় শিশুটির মা-বাবা সন্তানকে নিয়ে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন।

এ সময় শিশুটি মায়ের কাছে পানি চায়। মা দোকানে থাকা হাতের কাছের পানির বোতল ছেলেকে দিলে সে পান করে। এরপর শিশুটি যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং জানায় শিশুটিকে এসিড মিশ্রিত পানি খাওয়ানো হয়েছে।

অসু্স্থ ওই শিশুকে তাৎক্ষণিকভ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিতে বলেন। সেখান থেকে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর