স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৫ (এপ্রিল) শ্রীবরদী উপজেলা সরকারি হাসপাতালে একজন আয়ার দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার মাঝপাড়া গ্রামের দুটি পরিবারের দুই শিশু। কিন্তু আয়া করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় দুই শিশুসহ সব রোগীদের ছুটি দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা বাড়িতে ফিরে গেলে এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়।
খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ স ম জামশেদ খোন্দকার সোমবার দুপুরে ওই গ্রামে গিয়ে দুটি পরিবারের ১০টি বাড়ি লকডাউন করে বাড়ির সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। লকডাউন নিশ্চিত করতে ওই গ্রামে পুলিশ ও গ্রামপুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানান, হাসপাতালের একজন আয়া করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ওই হাসপাতালের অন্যান্য রোগীরাও করোনা সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই বকশীগঞ্জের মাঝপাড়া গ্রামের দুই শিশুর পরিবারের দশটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দশটি বাড়ির সবাইকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লকডাউন চলমান অবস্থায় প্রয়োজনের তাদেরকে সরকারি খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর










