চলমান করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে আইইডিসিআর কতৃক লালমনিরহাট জেলাকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করায় লোকজনের মাঝে আতংক ও ভয় বিরাজ করছে।ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ থেকে ব্যাপকহারে শ্রমিক আসায় এ সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে।
জনগনকে আশ্বস্ত ও সচেতনতা তৈরি করতে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানার নেতৃত্বে জেলা পুলিশ সদস্যরা ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরত ব্যক্তিদের বাড়ীতে গিয়ে লালপতাকা টাঙ্গিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তাছাড়াও প্রত্যেকে সচেতনতারোধেও প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এ পর্যন্ত জেলায় বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ৯৬০ জনের হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয় বলে পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা জানায়।
এদিকে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি থানায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক মোট ৪২৩টি করোনা অবজারভেশন অ্যান্ড সাপোর্ট টিম গঠন করা হয়েছে।
তাছাড়া করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় হতদরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণ, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ , নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য যাতে স্বাভাবিক থাকে এ ব্যাপারে বিশেষ তদারকি, জনসচেতনতায় পুলিশের মাইকিং কার্যক্রম, মাস্ক ও সাবান বিতরণ, জেলার প্রতিটি মসজিদে দিনে ৫বার মাইকিং নিশ্চিত করা, তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ লাইন্সে ১৭সদস্য বিশিষ্ট এবং প্রতিটি থানায় ৫সদস্য বিশিষ্ট ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম গঠন ও প্রশিক্ষণ প্রদান, পুলিশ লাইন্সে ইমারজেন্সি ৫সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল টিম গঠনসহ নানামূখী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান










