০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

উলিপুরে করোনার উপর্সগ নিয়ে একজনের মৃত্যু

কুড়িগ্রামের উলিপুরে জ্বর-সর্দি, কাশি, ও গলাব্যাথা নিয়ে শহিদুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২০ এপ্রিল) রাতে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই মাষ্টার পাড়াগ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। নিহত ব্যক্তি টাঙ্গাইলের এক প্রবাসীর বাড়িতে কাজ করতেন বলে জানান স্থানীয়রা।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র শহিদুর রহমান (৪৫) গত এক সপ্তাহ আগে টাঙ্গাইল থেকে বাড়িতে আসেন। এরপর থেকে জ্বর-সর্দি, কাশি ও গলা ব্যাথায় ভুগছিলেন। শহিদুর রহমান এলাকায় আসার পর স্থানীয়রা তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখেন। কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় গত রবিবার রাতে তিনি মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ‘শুনেছি শহিদুর টাঙ্গাইলের এক প্রবাসীর বাড়িতে কাজ করতেন। ওই প্রবাসী দেশে আসায় তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। বাড়িতে আসার পর থেকে বাহিরে বের হননি। রবিবার রাতে তিনি মারা যান।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক আগে তিনি টাঙ্গাইল থেকে বাড়িতে আসেন। জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে গত রবিবার রাতে তিনি মারা যান। আমরা তার, স্ত্রী ও ১২ বছরের কন্যাসহ ৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছি।’

থানার অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ম অনুযায়ী দাফন করেছে। স্থানীয়রা কেউ এগিয়ে আসেনি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

উলিপুরে করোনার উপর্সগ নিয়ে একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১২:৫৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২০

কুড়িগ্রামের উলিপুরে জ্বর-সর্দি, কাশি, ও গলাব্যাথা নিয়ে শহিদুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২০ এপ্রিল) রাতে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই মাষ্টার পাড়াগ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। নিহত ব্যক্তি টাঙ্গাইলের এক প্রবাসীর বাড়িতে কাজ করতেন বলে জানান স্থানীয়রা।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র শহিদুর রহমান (৪৫) গত এক সপ্তাহ আগে টাঙ্গাইল থেকে বাড়িতে আসেন। এরপর থেকে জ্বর-সর্দি, কাশি ও গলা ব্যাথায় ভুগছিলেন। শহিদুর রহমান এলাকায় আসার পর স্থানীয়রা তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখেন। কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় গত রবিবার রাতে তিনি মারা যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ‘শুনেছি শহিদুর টাঙ্গাইলের এক প্রবাসীর বাড়িতে কাজ করতেন। ওই প্রবাসী দেশে আসায় তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। বাড়িতে আসার পর থেকে বাহিরে বের হননি। রবিবার রাতে তিনি মারা যান।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক আগে তিনি টাঙ্গাইল থেকে বাড়িতে আসেন। জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে গত রবিবার রাতে তিনি মারা যান। আমরা তার, স্ত্রী ও ১২ বছরের কন্যাসহ ৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছি।’

থানার অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ম অনুযায়ী দাফন করেছে। স্থানীয়রা কেউ এগিয়ে আসেনি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর